সেরা বাঙালি মাশরাফি

সেরা বাঙালি মাশরাফি

111
SHARE
Mashrafee

মাশরাফি যখনই কোনো নতুন খবর তৈরি করেন তখনই আর ভক্তদের মাঝে উৎসবের নতুন জোয়ার সৃষ্টি হয়। দেশের অসংখ্য তরুণ এমনকি তরুণীও মাশরাফিকে আইডল ভেবে জীবন সাজানোর পরিকল্পনা সাজাচ্ছে প্রতিদিন। এমন অনেক তরুণ আছেন যারা প্রতিদিন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মাশরাফির নতুন কোনো সংবাদ আছে কি না তাই দেখে নেয় আগে। নতুন সংবাদ থাকলে বন্ধুদের সঙ্গে নিয়ে আগে। নতুন সংবাদ থাকলে বন্ধুদের সঙ্গে নিয়ে সেলিব্রেট করে।

সেরা বাঙালির তালিকায় এবার অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন আমাদের আশার আলো গর্বের ধন মাশরাফি।

প্রতিবছর বিভিন্ন ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখা বাঙালি কীর্তিমানদের পুরস্কৃত করে থাকে কলকাতাভিত্তিক এবিপি মিডিয়া গ্রæপ। সংস্থাটির চলতি বছরের পুরস্কারের জন্য ঘোষিত ব্যক্তিদের তালিকায় স্থান পেয়েছেন বাংলাদেশ ওয়ানডে দলের অধিনায়ক মাশরাফি বিন মুর্তজা। ‘সেরা বাঙালি খেলোয়াড়’ ক্যাটাগরিতে পুরস্কৃতদের তালিকায় স্থান পেয়েছেন তিনি।

২০০৭ সালে বাংলাদেশি ক্রিকেটার হাবিবুল বাশার ও ভারতীয় ক্রিকেটার সৌরভ গাঙ্গুলী জিতেছিলেন এ খেতাব। ২০১২ সালে খেতাবটি জুটেছিল বাংলাদেশি ক্রিকেটার সাকিব আল হাসান ও ভারতীয় ক্রিকেটার মনোজ তিওয়ারীর। এছাড়াও পুরস্কারটি জিতেছিলেন স্বনামধন্য ব্যক্তিত্ব নোবেল বিজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূসও।

বৃদ্ধাশ্রমে কাঁদলেন তাসকিন!

জন্মদাতা পিতা-মাতাকে সন্তানরা কীভাবে কষ্ট দেয়? সন্তান জীবিত থাকতে বাবা-মা কোন কারণে বৃদ্ধাশ্রমে স্থান পায়? এইপ্রশ্নের উত্তর খুঁজে পাচ্ছেন না বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের গর্বিত সদস্য তাসকিন আহমেদ। সম্প্রতি নিজের বাবাকে সঙ্গে নিয়ে নগরীর অদূরে একটি বৃদ্ধাশ্রমে গিয়েছিলেন তাসকিন আহমেদ। তাকে দেখে বৃদ্ধাশ্রমের বাসিন্দা বাবা-মায়েরা আবেগে আপ্লুত হয়ে ওঠেন। অনেকে তাকে জড়িয়ে ধরে কুশল বিনিময় করেন। এসময় আবেগ ধরে রাখতে না পেরে তাসকিন আহমেদ কেঁদে ফেলেন। বৃদ্ধ বাবা-মায়েদের জন্য কিছু উপহার সামগ্রী নিয়ে গিয়েছিলেন তাসকিন। বৃদ্ধাশ্রমের বাসিন্দা অসহায় বাবা মায়েরা তাসকিনের উপহার পেয়ে খুশি হন। অনেকে তাসকিনের মাথায় হাত দিয়ে আশীর্বাদ করেন। এসময় তাসকিন কাঁদতে কাঁদতেই নিজেই নিজেকে প্রশ্ন করেনÑ সন্তান বেঁচে থাকতে বাবা-মায়েরা কেন বৃদ্ধাশ্রমে থাকবেন? না এটা মেনে নেয়া যায় না।