শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায় প্রধান উপদেষ্টা: ঢাকা-কলকাতার যৌথ আয়োজনে প্রকাশ হবে শিশুদের পত্রিকা- শিশু...

শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায় প্রধান উপদেষ্টা: ঢাকা-কলকাতার যৌথ আয়োজনে প্রকাশ হবে শিশুদের পত্রিকা- শিশু আনন্দ আলো

551
SHARE

কলকাতা থেকে বিশেষ প্রতিনিধি: কলকাতার রবীন্দ্র সদনে এক সেমিনারে নিমিষেই আনন্দ সংবাদটি ছড়িয়ে গেল। সাথে সাথে ভালোবাসা আর সম্প্রীতির উত্তাল ঢেউয়ে ভেসে উঠলেন দুই বাংলার কবি সাহিত্যিকেরা। দুই বাংলার যৌথ আয়োজনে শিশুদের জন্য একটি ত্রৈমাসিক পত্রিকা প্রকাশ হবে। পত্রিকাটির নাম হবে ‘শিশু আনন্দ আলো’। পত্রিকাটির প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন কলকাতার পক্ষে বিশিষ্ট শিশু সাহিত্যিক শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়। এটি ইমপ্রেস টেলিফিল্মের বিনোদন পাক্ষিক আনন্দ আলোর সহযোগী প্রকাশনা হিসেবে প্রকাশ হবে।  সেপ্টেম্বরের প্রথম পক্ষে কলকাতায় বাংলাদেশ বইমেলা উপলক্ষে রবীন্দ্র সদনে শিশু সাহিত্য বিষয়ে এক সেমিনারের আয়োজন করা হয়। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট শিশু সাহিত্যিক ফরিদুর রেজা সাগর। মূল প্রবন্ধ পাঠ করেন শিশু সাহিত্যিক আমীরুল ইসলাম। আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রাবন্ধিক জিয়াদ আলী ও দ্বীপ মুখোপাধ্যায়।  সেমিনারের কার্যক্রম চলছিলো। এক পর্যায়ে হঠাৎই হাজির হন বিশিষ্ট সাহিত্যিক শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়। তার উপস্থিতিতে বিশিষ্ট শিশু সাহিত্যিক ফরিদুর রেজা সাগর মঞ্চে বক্তৃতা করতে এসে সবাইকে অবাক করে দিয়ে শিশু সাহিত্যের উৎকর্ষতায় স্বপ্নের একটি জানালা খুলে দেন। তিনি বলেন, শিশু সাহিত্যের বিকাশে আমরা অনেক কথাই বলতে পারি। কিন্তু এজন্য প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ। সেমিনারে উপস্থিত কবি-সাহিত্যিকদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, আসুন না আমরা দুই বাংলা মিলে শিশুদের জন্য একটা পত্রিকা বের করি। বাংলাদেশ থেকে ইমপ্রেসের পত্রিকা ‘আনন্দ আলো’ শিশু সাহিত্যের ওপর বছরে তিনটি সংখ্যা বের করে। আগামীতে দুই বাংলার যৌথ উদ্যোগে ‘শিশু আনন্দ আলো’ প্রকাশের দায়িত্ব ‘আনন্দ আলো’ নিতে পারে। পত্রিকাটিতে যুক্ত থাকার জন্য শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়কে তিনি অনুরোধ করেন। শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায় মঞ্চে বক্তৃতা দিতে এসে তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় বলেন, সাগরকে আমি অনেক দিন থেকে চিনি ও জানি। ও যা বলে তা আন্তরিকভাবে করেও দেখায়। দুই বাংলার যৌথ উদ্যোগে ‘শিশু আনন্দ আলো’ প্রকাশের প্রস্তাবকে আমি স্বাগত জানাই। আমার বয়স হয়েছে। তবুও সাগরের প্রস্তাবে আমি রাজি। ‘শিশু আনন্দ আলো’র সাথে আমি থাকব। আমি চাই ‘শিশু আনন্দ আলো’র মাধ্যমে দুই বাংলার সাহিত্যে একটা জাগরণ ঘটুক।  সেমিনারে প্রাথমিকভাবে বছরে ‘শিশু আনন্দ আলো’র ৪টি সংখ্যা প্রকাশের সিদ্ধান্ত হয়। পত্রিকাটিতে দুই বাংলার লেখকদের লেখা থাকবে। ১৬ ডিসেম্বর ২০১৫ বাংলাদেশের বিজয় দিবস উপলক্ষে ‘শিশু আনন্দ আলো’র প্রথম সংখ্যা ঢাকা ও কলকাতায় একযোগে প্রকাশ করা হবে।