শাহ্‌ সিমেন্ট আনন্দ আলো স্বপ্নের রূপকার

শাহ্‌ সিমেন্ট আনন্দ আলো স্বপ্নের রূপকার

660
SHARE

সৃষ্টিশীল অনবদ্য এক আয়োজন!

আনন্দ আলোর এবারের ঈদ সংখ্যা হাতে পেয়ে নাট্যব্যক্তিত্ব অধ্যাপক মমতাজউদদীন আহমদ উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে বললেন, কোনো পত্রিকার ঈদ সংখ্যায় এতো বর্ণাঢ্য আয়োজন আমি এর আগে দেখিনি। এক ব্যাগের মতো এতকিছু! কোনটা রেখে কোনটা পড়ব? ঈদের ক্ষেত্রে এ যেন এক দারুন উপহার। বিশেষভাবে একটি আয়োজনের কথা বললেন তিনি। তা হলো শাহ্‌ সিমেন্টের সৌজন্যে স্থপতিদের নিয়ে প্রকাশিত অনবদ্য আয়োজন শাহ্‌ সিমেন্ট আনন্দ আলো স্বপ্নের রূপকার শীর্ষক অ্যালবামটি। মমতাজউদদীন আহমদ বললেন, দেশের গুণী স্থপতিদের নিয়ে এতো চমৎকার আয়োজন এর আগে কোথাও দেখিনি। আনন্দ আলো সব সময় নতুন কিছু করার চেষ্টা করে। স্থপতিদের নিয়ে প্রকাশিত অ্যালবামটি সত্যি সংগ্রহে রাখার মতো। কারণ এতোদিন আমরা অনেকেই জানতাম না রাজধানীসহ গোটা দেশে এই যে এতো বড় বড় ভবন নির্মিত হয়েছে এর নকশা কার? অনেকের ভাবনায় ছিল কাজগুলো বোধকরি বিদেশী স্থপতিদের করা। আনন্দ আলো এই ধারনা পাল্টে দিয়েছে। এজন্য অনেক ধন্যবাদ আনন্দ আলোকে।

শুধু মমতাজউদদীন আহমদ নন আনন্দ আলোর ঈদ সংখ্যা প্রকাশের পর দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে আনন্দ আলোর পাঠকেরা তাৎক্ষণিক মতামত পাঠিয়েছেন। তাদের সকলেই স্থপতিদের নিয়ে প্রকাশিত বিশেষ অ্যালবামটির প্রতি ব্যাপক আগ্রহ দেখিয়েছেন। অধ্যাপক মমতাজউদদীনের মতো সকলেরই মনৱব্য, ‘দেশের গুণী স্থপতিদের ব্যাপারে আমাদের তেমন কোনো ধারণা ছিল না। দৃষ্টিনন্দন বড় বড় স্থাপনা দেখে ভাবতাম এসব বুঝি বিদেশীদের করা। আনন্দ আলো আমাদের ধারণা বদলে দিয়েছে। এজন্য অশেষ কৃতজ্ঞতা আনন্দ আলোর প্রতি। সৈয়দপুর থেকে রেলওয়ের একজন পুলিশ কর্মকর্তা লালন আহমেদ বলেছেন, দেশের বিভিন্ন স্থানে বড় বড় দৃষ্টিনন্দন স্থাপনা দেখলেই মনে প্রশ্ন জাগত এটির নকশা কার? আনন্দ আলো সেই প্রশ্নের উত্তর দিয়েছে। আনন্দ আলো একটি বিনোদন পত্রিকা। অথচ স্থপতিদের নিয়ে এতো চমৎকার একটি পত্রিকা বের করেছে যা হাতে পেয়ে অভিভূত হয়েছি। এখন অহংকারের সাথে বলতে পারব- দেশের বিভিন্ন স্থানে এই যে এতো দৃষ্টিনন্দন স্থাপনা, ভবন দেখছেন এসব আমাদের দেশের স্থপতিরাই বানিয়েছেন। বিদেশীদের দরকার নাই। আমরাই সব পারি…

পাঠকের এইসব অনুভূতির সাথে আমরাও একমত। দেশে একটা ধারণা প্রচলিত আছে। যা কিছু সুন্দর তার সাথে বোধকরি বিদেশী বিশেষজ্ঞ জড়িত আছেন অথবা থাকেন। আমরা অনেকেই সহজে এই ধারণা পোষণ করি। অথচ এই ধারনা অনেকাংশে ভুল। আনন্দ আলোর এই আয়োজন দেখে অর্থাৎ স্থপতিদের ওপর প্রকাশিত অ্যালবামটি পড়ে অনেকেই আনন্দ আলোয় যোগাযোগ করেছেন। বিশেষ কয়েকটি স্থাপনার নাম উল্লেখ করে কেউ কেউ জানতে চেয়েছেন আমরা কি সঠিক তথ্য প্রকাশ করেছি? এতো সুন্দর সুন্দর স্থাপনা সত্যি কি দেশের স্থপতিরাই বানিয়েছেন?

আমরা আবারও অহংকারের সাথে বলতে চাই দেশের গুণী স্থপতিরা শুধু দেশে নয় পৃথিবীর অনেক উন্নত দেশেও একাধিক গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা নির্মাণের সাথে এখন জড়িত হচ্ছেন। তারা সত্যি আমাদের কাছে তারকা, ভালো কাজের প্রেরণা। একটা ধারনার ব্যাখ্যা দিতে চাই। অনেকের ধারণা আনন্দ আলো একটি বিনোদন পত্রিকা। নাটক, চলচ্চিত্র সঙ্গীতসহ সংস্কৃতির বিভিন্ন বিষয় নিয়েই মূলত আনন্দ আলো কাজ করে। হ্যাঁ, ধারনা ঠিক আছে। তবে একটু সংশোধনী দিতে চাই। আনন্দ আলো মূলত তারকার খোঁজ করে থাকে। শুধুমাত্র নাটক, চলচ্চিত্র, সঙ্গীতাঙ্গনের মানুষেরাই আনন্দ আলোর কাছে তারকা নয়। সমাজের সকল ক্ষেত্রে যারা ভালো করছেন, দেশের জন্য কল্যাণ বয়ে আনছেন অর্থাৎ সৃষ্টিশীল মানুষেরাই আনন্দ আলোর কাছে তারকা। সে কারণে দেশের গুণী স্থপতিরাও আনন্দ আলোর জন্য গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছেন। আমরা মনে করি তারাও দেশের জন্য অনেক বড় তারকা।

বিশেষ এই অ্যালবামটি প্রকাশের পর দেশের গুণী স্থপতিদের মধ্যে অনেকে প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন। আমরা তাদের কাছে কৃতজ্ঞ। অ্যালবামটির সম্পাদকীয় ভাবনায় আমরা যা বলেছি তা হলো-

যে কোন উদ্যোগের ক্ষেত্রে নকশাটাই আসল। নকশা আসলে বিশ্বাস। কিছু একটা করতে চাই সে ব্যাপারে সাহস ও আস্থার জায়গাটা তৈরি করে একটি নকশা। আমরা অনেকেই অনেক কিছু করতে চাই কিন্তু হাতের কাছে যখন কোনো পরিকল্পনা অর্থাৎ নকশা থাকে না তখন ইচ্ছে থাকলেও সামনে এগুনোটা সব ক্ষেত্রে সহজ হয় না। যে কোনো উদ্যোগ গ্রহণের ক্ষেত্রে নকশা অর্থাৎ আসলে কি করতে চাই সেটাই আগে নির্ধারণ করা উচিৎ। বিশেষ করে বাড়িঘর, অফিস আদালত, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ ভবন নির্মাণের ক্ষেত্রে নকশা প্রণয়নের কাজটাই অতি জরুরি। মনের মতো একটি নকশা হাতে এসেছে। হ্যা এবার মনের মতো কাজটিও হয়ে যাবে খুব সহজে।

দেশ-বিদেশে এমন কিছু ভবন আছে যা দেখলে বিস্মিত হতে হয়। আমাদের জাতীয় সংসদ ভবনের কথাই যদি ধরি। প্রতিদিন অসংখ্য মানুষ ওই ঐতিহ্য মন্ডিত স্থাপনা দেখতে আসেন। এর স্থপতি লুইকানের কথা স্মরণ করেন।

যে সময় আমাদের জাতীয় সংসদ ভবন নির্মিত হয়েছিল সে সময় দেশে গুণী স্থপতির সংখ্যা ছিল হাতে গোনা। কিন্তু বর্তমান সময়ে আমাদের দেশে গুণী স্থপতির সংখ্যা অনেক। শুধু দেশ নয় বিদেশেও সুনামের সাথে তাঁরা কাজ করছেন। তাঁদের মধ্য থেকে ৫২ জন গুণী স্থপতির মেধার দ্যূতি ছড়ানো হলো আনন্দ আলোর এই ঈদ সংখ্যায়। প্রশ্ন উঠতে পারে- কোন প্রক্রিয়ায় তাঁদেরকে যুক্ত করা হয়েছে? উত্তর একটাই- আমরা এক্ষেত্রে বিশেষ কোন প্রক্রিয়া অনুসরণ করিনি। কারণ দেশের সকল গুণী স্থপতিই আমাদের প্রিয় মানুষ, আপনজন। ৫২ জনকে দিয়ে একটা যাত্রা শুরু হলো। আগামীতেও এই যাত্রা অব্যাহত থাকবে। পর্যায়ক্রমে দেশের সকল গুণী স্থপতিকেই আমরা এভাবে সম্মান জানাব। উদ্যোগটি শুরু করতে আনন্দ আলোকে সহায়তা করার জন্য শাহ্‌ সিমেন্ট কর্তৃপক্ষকে কৃতজ্ঞতা জানাই। কারন শাহ্‌ সিমেন্ট কর্তৃপক্ষের আনৱরিক সহযোগিতার ফলেই এই দূরুহ কাজটি শুরু করা গেল।

যেসব গুণী স্থপতির কাজের কথা এই আয়োজনে আমরা যুক্ত করতে পেরেছি তাঁদের প্রায় প্রত্যেকের কর্মকান্ডের সচিত্র প্রতিবেদন ইতিপূর্বে আনন্দ আলোয় প্রকাশ হয়েছে এবং সেই সব প্রতিবেদনের তথ্যই এই আয়োজনে সন্নিবেশিত হয়েছে।

হ্যা আমরা নানন্দিক এই উদ্যোগটি অব্যাহত রাখতে চাই। এ ব্যাপারে যে কোনো পরামর্শ আমরা সাদরে গ্রহণ করব। সবার জন্য রইল শুভ কামনা।

Shah-Cement-list1সামসুল ওয়ারেস

আনন্দ আলো বর্তমান সময়ের অত্যনৱ আধুনিক একটি বিনোদন পত্রিকা। একটি পারিবারিক পত্রিকা। মানসম্মত এমন একটি পত্রিকায় এবারের ঈদ সংখ্যায় প্রায় অর্ধশত আর্কিটেক্টকে নিয়ে পরিচিতি মূলক গ্রন্থ প্রথমবারের মতো প্রকাশিত হয়েছে। এটা অসম্ভব ভালো একটা উদ্যোগ। আনন্দ আলোর এমন একটি উদ্যোগকে আমি সাধুবাদ জানাই। এই উদ্যোগ যেন ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকে এই প্রত্যাশা রইল।

রবিউল হুসাইন

শাহ্‌ সিমেন্ট স্বপ্নের রূপকার শিরোনামে আনন্দ আলো প্রকাশিত অ্যালবামটি এক কথায় চমৎকার এবং এটি খুবই ভালো একটি উদ্যোগ। আনন্দ আলোর উদ্যোগে এবারই প্রথম প্রকাশ হলো এধরনের চমৎকার একটি অ্যালবাম। আমাদের দেশে আর্কিটেকচারাল জার্নালিজম একদমই নাই। আনন্দ আলো এই ধারার পত্রিকা নয়। তবুও তারা আর্কিটেক্টদের নিয়ে যে কাজটা করেছে তা খুবই প্রশংসনীয় কাজ বলে আমি মনে করি। উদ্যোগটির সহযোগী শাহ্‌ সিমেন্ট কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ জানাই।

মোবাশ্বের হোসেন

স্থপতিদের নিয়ে লেখা, স্থাপত্যের ছবি সব মিলিয়ে খুবই সুন্দর একটি অ্যালবাম হয়েছে শাহ্‌ সিমেন্ট আনন্দ আলো স্বপ্নের কারিগর। ছোটকরে সবার কাজের কথা তুলে ধরা হয়েছে অ্যালবামটিতে। এজন্য খুবই ভালো লাগছে। সত্যি কথা বলতে কী আমার পছন্দের একটি বই হয়েছে এটি। আমি মনে করি আর্কিটেক্টদের নিয়ে এরকম বই আরো বের হওয়া উচিত।

ড. আবু সাঈদ এম আহমেদ

এটা খুবই ভালো একটা উদ্যোগ। আনন্দ আলোর এই উদ্যোগকে আমি স্বাগত জানাই। পঞ্চাশ জনেরও বেশি আর্কিটেক্টকে একসাথে করে একটি অ্যালবাম বের করেছে। এটা খুবই প্রশংসনীয় ব্যাপার। তবে ছাপার দিকে একটু নজর দিলে আরও ভালো হতো। আগামীতেও এধরনের আয়োজন আরো দেখতে চাই।

নাহাস আহমেদ খলিল

আর্কিটেক্টদের নিয়ে এই বইটি ক্যাটালগের মতো হয়েছে। সব মিলিয়ে আয়োজনটি খুবই ভালো হয়েছে। কারণ হলো অনেক কাজ আমরা আগে দেখেছি কিন্তু সেগুলোর আর্কিটেক্টদের নাম জানিনা, আবার হয়তো আর্কিটেক্টদের নাম জানি, তাদের স্থাপনার নাম জানিনা। বইটিতে দুটি প্রশ্নেরই উত্তর আছে। তবে ছাপার মান আরেকটু ভালো হতে পারতো। এ ধরনের অ্যালবাম কন্টিনিউ করা যেতে পারে।

জালাল আহমেদ

প্রথমেই আনন্দ আলোকে জানাই অভিনন্দন। কারণ তারা এই প্রথম আর্কিটেক্টদের নিয়ে একটি ক্যাটালগ বের করেছে। বায়ান্নজন স্থপতিকে একত্র করে একটি বই বের করা চাট্টিখানিক কথা নয়। সেটা তারা করে দেখিয়েছে। সব মিলিয়ে আয়োজন অত্যনৱ চমৎকার। আনন্দ আলোর সাথে শাহ্‌ সিমেন্ট কর্তৃপক্ষকেও অনেক ধন্যবাদ।

এনামুল করিম নির্ঝর

অবশ্যই খুবই চমৎকার একটি অ্যালবাম হয়েছে। এই প্রথম বারের মতো আর্কিটেক্টদেরকে নিয়ে এরকম একটি অ্যালবাম প্রকাশ হলো। উদ্যোগটি প্রশংসা করার মতো। এই অ্যালবামের মাধ্যমে অনেকেরই ধারণা হবে আর্কিটেক্ট জিনিসটা কী? তারা তারা আসলে কি করে। এরকম একটি মহৎ আয়োজনে আরো উল্লেখযোগ্য সংখ্যক আর্কিটেক্ট থাকলে ভালো হতো। আমার প্রত্যাশা উদ্যোগটি যেন অব্যাহত থাকে।

এহসান খান

অল্প সময়ে এত গুণী আর্কিটেক্টদের নিয়ে একটা বই বের করা নিঃসন্দেহে প্রশংসার ব্যাপার। আনন্দ আলো তা করিয়ে দেখিয়েছে। খুবই ভালো একটি উদ্যোগ এটি। এজন্য আনন্দ আলোকে ধন্যবাদ জানাই। একটা কথা বলতে চাই সেটা হলো এমন একটি চমৎকার বইয়ের পাতায় পাতায় স্পন্সরের লোগো না থাকলে আরও ভালো হতো। প্রচ্ছদ আরো লুকেটিভ হওয়া উচিত ছিল।

তানিয়া করিম

প্রথমবারের মতো এত গুণী আর্কিটেক্টদেরকে নিয়ে লেখা, তাদের স্থাপনার ছবি সব মিলিয়ে একটা সুন্দর একটা অ্যালবাম হয়েছে। ভবিষ্যতে এই উদ্যোগ অব্যাহত থাকলে আরো ভালো হবে। বিষয় সমৃদ্ধ এরকম একটি অ্যালবাম প্রকাশ করার জন্য আনন্দ আলোকে ধন্যবাদ জানাই।

সালাউদ্দিন আহমেদ

আনন্দ আলোর এই উদ্যোগ খুবই প্রশংসার দাবী রাখে। আমাদের দেশে প্রাইমারি একটা বিষয় হলো স্থাপত্যকর্ম। সেটা আমরা অনেকেই বুঝতে পারি না। বুঝতে চাইও না। আনন্দ আলো বিষয়টি ভালোভাবে বুঝিয়ে দিয়েছে। আনন্দ আলো যে কাজটা করেছে সেটা হচ্ছে আর্কিটেক্টদের নিয়ে এই বইটি মানুষকে এক ধরনের দিক নির্দেশনা দিবে যে স্থাপত্য আসলে কী? এর প্রয়োজনীয়তা কতটুকু।

খন্দকার সাব্বির আহমেদ

অবশ্যই প্রশংসনীয় একটা উদ্যোগ। শুধুমাত্র আর্কিটেক্টদের নিয়ে পূর্ণাঙ্গ একটা বই আগে কখনো বের হয়নি। আনন্দ আলোর মাধ্যমে এই প্রথম এ ধরনের একটি বই বের হলো। খুবই প্রশংসনীয় একটা কাজ হয়েছে। বইটি বের করার জন্য আনন্দ আলোর পাশাপাশি শাহ্‌ সিমেন্ট কর্তৃপক্ষকেও অনেক শুভেচ্ছা এবং অভিনন্দন জানাই।

প্যাট্রিক ডি রোজারিও

আনন্দ আলো প্রায় অর্ধশত স্থপতিদের নিয়ে অ্যালবাম ধরনের একটি বই প্রকাশ করেছে। নিঃসন্দেহে এটি প্রশংসার দাবি রাখে। আর্কিটেক্টদের জন্য এই বইটি অনেক ভূমিকা রাখবে। কারণ এই বইটির মাধ্যমে তারা একে অপরের কাজ সম্পর্কে জানতে পারবে। এরকম একটি বই প্রকাশ করার জন্য আনন্দ আলোর পাশাপাশি শাহ্‌ সিমেন্ট কর্তৃপক্ষকেও ধন্যবাদ জানাই।

Shah-Cement-list2রিয়াদ রউফ

মিডিয়ার বেশির ভাগ মানুষের জনপ্রিয় পত্রিকা আনন্দ আলো। প্রতি সংখ্যায় একজন স্থপতিকে নিয়ে প্রতিবেদন ছাপা হয়। এটা আমাদের জন্য খুবই আনন্দের একটা ব্যাপার। এবার আনন্দ আলোর ঈদ সংখ্যায় পঞ্চাশেরও বেশি আর্কিটেক্টকে নিয়ে একটি চমৎকার অ্যালবাম প্রকাশ করেছে আনন্দ আলো। উদ্যোগটি খুবই প্রশংসনীয়। এজন্য অনেক কৃতজ্ঞতা আনন্দ আলোর প্রতি।

এবি ফারুক আহমদ

অবশ্যই প্রশংসনীয় একটা কাজ হয়েছে। অ্যালবামটি আমাদের জন্য যেমন কাজে দিবে পাশাপাশি ক্লায়েন্টের ক্ষেত্রেও একটা গাইড লাইন হিসেবে গুরুত্ব পাবে। অনেকেরই একটা ধারণা ছিল বিদেশী আর্কিটেক্টরাই দেশে সব করছে। আমাদের দিয়ে কিছু হচ্ছে না। অথচ আমরাই গুরুত্বপূর্ণ সব কাজ করছি। আনন্দ আলো বিষয়টি বুঝিয়ে দিয়েছে। ধন্যবাদ দিয়ে তাদেরকে ছোট করতে চাই না। এই উদ্যোগ যেন অব্যাহত থাকে এটাই কামনা করি।

তানজিম হাসান সেলিম

অর্ধশত আর্কিটেক্ট-এর ইন্টারভিউ নেয়া, তাদের প্রজেক্টের ছবি সংগ্রহ করে নিয়ে আসা এটা নি:সন্দেহে প্রশংসনীয় একটি কাজ। আমি মনেকরি এ রকম মহৎ প্রচেষ্টা থেমে থাকা উচিত না। এটা কন্টিনিউ করলে আরো ভালো হবে। এটা বিশাল একটা উদ্যোগ। এটাকে আমি স্বাগত জানাই। ভবিষ্যতেও এটি যেন অব্যাহত থাকে। আনন্দ আলোর প্রতি অনেক কৃতজ্ঞতা।

খোন্দকার হাসিবুল কবির

শুধুমাত্র আর্কিটেক্টদের নিয়ে এই প্রথম একটা বই বের করল আনন্দ আলো। তাদের এই উদ্যোগটা খুবই ভালো। বইটি চমৎকার হয়েছে। আনন্দ আলোর স্বপ্নের রূপকার বইটি দেখে যে কেউ আর্কিটেকচার সম্পর্কে একটা ধারণা পাবে। বাংলাদেশের আর্কিটেকচার কেমন হচ্ছে। এই উদ্যোগ যেন ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকে এই কামনা করি।

মেসবাউল কবির

আনন্দ আলো এত গুণী আর্কিটেক্টদের নিয়ে একটি সংকলন প্রকাশ করেছে নিঃসন্দেহে খুবই ভালো একটা উদ্যোগ। তাদের এই উদ্যোগকে আমি স্বাগত জানাই। আগামীতেও তারা যেন স্বণামধন্য অর্কিটেক্টদের নিয়ে এভাবে কাজ করে আমার এই প্রত্যাশা থাকবে আনন্দ আলো ও শাহ্‌ সিমেন্টের কাছে।

সৈয়দ রেজাউল মোর্শেদ

এক সাথে বায়ান্ন জন আর্কিটেক্ট-এর কাজ একত্র করে একটি অ্যালবাম বের করেছে আনন্দ আলো। এটা খুবই ভালো একটা উদ্যোগ। আমি তাদেরকে সাধুবাদ জানাই। বাংলাদেশে এখন যারা মডার্ণ আর্কিটেকচারের প্র্যাকটিস করছে তাদের জন্য এটা খুবই ভালো একটা কাজ হয়েছে। আর্কিটেকচারে এখন কী ট্রেন্ড চলছে, কী স্টাইল চলছে আনন্দ আলোর এই বইটি দেখে তা বোঝা যাবে। আর্কিটেক্টদের নিয়ে এরকম কমপ্লিট একটা বই আর কেউ প্রকাশ করেনি। সেজন্য আনন্দ আলোর পাশাপাশি শাহ্‌ সিমেন্ট কর্তৃপক্ষও ধন্যবাদ পেতে পারে।