Home ফিচার রাইজিং স্টার ভবিষ্যতের তারকা

রাইজিং স্টার ভবিষ্যতের তারকা

SHARE
Rising-star

একটা ছোট্ট ঘটনা বলি। রাইজিং স্টার নামে আনন্দ আলোয় একটি বিভাগ চালু হয়েছিল শুরুর বছর অর্থাৎ ২০০৫ সালেই। পত্রিকার প্রচ্ছদ মুখ হয়েছিলেন তাহসান ও শ্রাবন্তী দত্ত তিন্নি। ওই সময়েই আমরা আনন্দ আলোয় ভবিষ্যতের তারকা হিসেবে তাহসান, তিন্নি, শানারেই দেবী সানু, অন্তরা বিশ্বাস পিংকি, সুমনা আফরোজ সুমা, শোয়েব ইসলাম, সানজিদা প্রীতি, আদনান ফারুক হিল্লোল, জিয়াউল ফারুক অপূর্ব, ফারজানা ব্রাউনিয়ার কথা তুলে ধরেছিলাম। ২০০৫ সালে আনন্দ আলোই বলেছিল এরাই হবে বাংলাদেশের আগামীর তারকা। বোধকরি আনন্দ আলোর ভবিষ্যৎ ভাবনা ঠিকই ছিল। ২০০৫ সালে আমরা যাদের কথা বলেছি তারাই তো এখন মূলত মিডিয়ায় দাপটের সঙ্গে কাজ করছে। জিয়াউল ফারুক অপূর্বর কথাই যদি ধরি তিনি তো এখন অসম্ভব জনপ্রিয় তারকা। তাকে নিয়ে লেখার শিরোনাম ছিলÑ ভয় নেই…। ২০০৫ সালে ইউ গড দ্য লুকÑ এর বেস্ট হেয়ার খেতাব জিতেছিলেন অপূর্ব। ল্যাবএইড-এর একটি বিজ্ঞাপনে মডেল হয়েছিলেন। রান্নার অনুষ্ঠানের ক্ষেত্রে আজকের আলোচিত তারকা শারমিন লাকীর কথাও সেদিন আনন্দ আলোয় উল্লেখ করা হয়েছিল। শিরোনাম ছিল ‘গৃহিণী নাম্বার ওয়ান’। চঞ্চল চৌধুরী এখন অসম্ভব রকমের জনপ্রিয় তারকা। ২০০৫ সালে আনন্দ আলোয় তাকে রাইজিং স্টার-এর খেতাব দেয়া হয়েছিল। তার ওপর লেখার শিরোনাম ছিল ‘পথের ক্লান্তি ভুলে…’ গ্রামীণফোনের একটি বিজ্ঞাপনে অভিনয় করেছিলেন চঞ্চল চৌধুরী। ওই বিজ্ঞাপনে তার সাবলীল ও মায়াময় অভিনয় দেখেই আনন্দ আলো ধরে নিয়েছিল এই শিল্পী আগামীতে দেশ সেরা অভিনেতা হবে।