ব্রিটানিয়া ইউনিভার্সিটিকে বিশ্বমানে উন্নীত করতে চাই

ব্রিটানিয়া ইউনিভার্সিটিকে বিশ্বমানে উন্নীত করতে চাই

22
0
SHARE
Rofikul-islam-(4)

মোঃ রফিকুল ইসলাম
চেয়ারম্যান, বোর্ড অব ট্রাষ্টি, ব্রিটানিয়া ইউনিভার্সিটি কুমিল্লা, সিইও, রিকো ইন্টারন্যাশনাল, রিকো ট্যুরস এন্ড ট্রাভেলস।

আনন্দ আলো: বাংলাদেশের শিক্ষাক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা রাখছেন আপনি। বিদেশে পড়াশোনার জন্যে কনসালটেন্সি সাথে আপনি দীর্ঘ বছর জড়িত। সম্প্রতি আপনি ব্রিটানিয়া ইউনিভার্সিটি কুমিল্লা এর ট্রাষ্টি বোর্ড এর চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। ব্রিটানিয়া ইউনিভার্সিটি সম্পর্কে আপনার মূল্যায়ন কি?
মোঃ রফিকুল ইসলাম: পৃথিবীর যে কোন দেশের জন্যে শিক্ষা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ এবং স্পর্শকাতর বিষয়। মাত্র ৪ বছরের ভেতরে ব্রিটানিয়া ইউনিভার্সিকে আমরা আল্লাহ মেহেরবানীতে অনেক দূর এগিয়ে নিয়েছি। আমাদের প্রথম ব্যাচের ব্যাচেলর ডিগ্রি অর্জন করা শিক্ষার্থীরা সেন্ট পারসেন্ট জব পেয়ে গেছে। এই উপলব্ধি মাথায় রেখেই আািম এই প্রতিষ্ঠানের দায়িত্ব নিয়েছি। আমি মনে করি বাংলাদেশের প্রাইভেট ইউনিভার্সিটিগুলোকে নতুন করে চিন্তা করতে হবে সবকিছু। এই ব্যাপারে আমি বাংলাদেশে প্রাইভেট ইউনিভার্সিটি সমিতি এর সাথেও কথা বলবো আমার অবস্থান থেকে। কারণ ২০ বছরেরও বেশি সময় ধরে বিদেশে বিভিন্ন উন্নত বিশ^বিদ্যালয়ের সাথে কাজ করার সুযোগ হয়েছে আমার। যে সব বিশ^বিদ্যালয়ের র‌্যাংকিং অনেক হাই- টপ টু হানড্রেট বা টপ ওয়ান হানড্রেট এর মধ্যে যেসব ইউনিভার্সিটিগুলোর নাম আছে। বিশে^র এই সব বিশ্ববিদ্যালয়ের আমার কাছে থেকে দেখার সুযোগ হচ্ছে। এই সব অভিজ্ঞতার আলোকে আমি চাই- কুমিল্লার ব্রিটানিয়া ইউনিভার্সিটি নিজেকে সেই ভাবে তৈরী করবে।
আনন্দ আলো: প্রাইভেট ইউনিভার্সিটিগুলোর নীতিমালা অনুযায়ী বোর্ড অব ট্রাষ্টিজ এর সময়কাল নির্ধারিত আছে। সেই ক্ষেত্রে দেখা যায়, এই সব নীতিমালা অনেকে লংঘন করছেন। ইউজিসি এবং মন্ত্রণালয়ের নীতিমালা সবাই কি সঠিকভাবে পালন করছে?
মোঃ রফিকুল ইসলাম: ২০১০ সালে বেসরকারি বিশ^বিদ্যালয় এক্ট করেছে সরকার। এই নীতিমালাটি অত্যন্ত সুন্দর। এই নীতিমালা যদি আমরা সবাই ফলো করি অর্থ্যাৎ ট্রাষ্ট বোর্ড, ফ্রাকাল্টিস এবং আদার্স রিলেটেড বোর্ড সবাই এই নীতিমালার ভেতরে থেকে সবকিছু পরিচালনা করলে এই বিতর্ক থাকে না। প্রতিটি বিশ^বিদ্যালয়ের একটি ট্রাষ্ট বোর্ড থাকে। যেটি সোসাইটি এবং জয়েন্ট ষ্টক কোম্পানীর মাধ্যমে পরিচালিত হয়। এই কোম্পানীর গঠনতন্ত্র যদি অক্ষরে অক্ষরে পালন করা হয় কোন প্রকার দ্ব›দ্ব সংঘাত বা মামলা কোন কিছুই হয় না। নিয়মে আছে- যদি বেশি দ্ব›দ্ব দেখে তাহলে সরকার ওই পরিচালনা পর্ষদকে বিলুপ্ত করতে পারেন। সরকার কোন পরিচালক নিয়োগ করে প্রতিষ্ঠান চালাতে পারবেন। ছাত্ররা কোন অবস্থাতেই এফেক্টেড হবেন না, আইনে সেই বিষয়ে পরিষ্কার উল্লেখ আছে। তারপরেও আমি বলবো যে, উদ্যোক্তা যদি সতর্ক থাকেন তাহলে কোন সমস্যা হওয়ার অবকাশ একদমই নাই। সবাইকে নিয়মের প্রতি শ্রদ্ধা রাখতে হবে।
আনন্দ আলো: আপনাদের বিদায়ী চেয়ারম্যান যিনি ছিলেন তাকে নিয়ে বিতর্ক ছিল এবং তিনি অনিয়মের সাথে যুক্ত ছিলেন বলে অভিযোগ আছে। তাকে অপসারণের পর বর্তমানে আপনি চেয়ারম্যান নিয়োজিত হয়েছেন- এই সম্পর্কে জানতে চাই?
মোঃ রফিকুল ইসলাম: এই বিষয়টি স্বীকার করতে দ্বিধা নাই আমাদের ভেতরে মতদ্বৈততা ছিল।
আনন্দ আলো: দুদক তার বিরুদ্ধে মামলা করে সার্চ ওয়ারেন্টও জারি করেছে?
মোঃ রফিকুল ইসলাম: জি¦। আসলে তার কারণে ইউজি’সিতে আমাদের প্রতিষ্ঠান কিছুটা কলংকিত হয়ে আছে। প্রথম দিকে প্রতিষ্ঠানের অনেক চ্যালেঞ্জে থাকে। ভুলত্রæটি থাকে এবং স্বাভাবিকভাবেই এই সব সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে।
আনন্দ আলো: এটি তো ভালোই হয়েছে। পর্ষদে দুর্নীতিবাজ কেউ থাকলে, তিনি চলে গেলে প্রতিষ্ঠানেরই তো মঙ্গল?
মোঃ রফিকুল ইসলাম: কিছু সীমাবদ্ধতা সত্তে¡ও আমরা চ্যালেঞ্জ নিয়ে এগিয়ে গেছি। আমরা সবাই কিন্তু পেছন থেকে তখন কাজ করেছি। কারণ আমাদের যিনি চেয়ারম্যান, যার কথা আপনি বলেছেন তার কিছু ভুলভ্রান্তির কারণে তিনি দুদকের মামলায় অভিযুক্ত। তার বিরুদ্ধে সমন জারি হয়েছে। তিনি ইংল্যান্ডেই স্থায়ীভাবে বসবাস করেন এবং সেখানে থেকে বাংলাদেশে প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করা অনেক কঠিন। আমরা পদে না থাকলেও যেহেতু আমরা মেম্বার-আমরা আমাদের বুদ্ধি বিবেচনা এবং পরামর্শ দিয়েছি। বেসরকারি বিশ^বিদ্যালয় কিভাবে চলে? আইনগতভাবে পরিষ্কার বিশ^বিদ্যালয় পরিচালনা করেন ভিসি এবং তার সহযোগিরা। আমরা পরিচালনা পরিষদ পাশে থেকে নীতিমালা, বাজেট আর অন্যান্য কমিটি তৈরী করার ব্যাপারে ভুমিকা রাখি। আর ভিসি তার বাহিনী নিয়ে আমাদের কাছে দায়বদ্ধ থাকেন।
আনন্দ আলো: কি পরিকল্পনা করছেন ব্রিটানিয়া ইউনিভার্সিটিকে সামনে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার?
মোঃ রফিকুল ইসলাম: প্রত্যাশা করি আল্লাহ আমাদেরকে এভাবেই ক্ষমতা দেবেন ব্রিটানিয়া পরিবারকে যাতে আমরা আমাদের স্বপ্ন বাস্তবায়নের পথে দ্রæত এগিয়ে যেতে পারি।
আনন্দ আলো: বেসরকারি বিশ^বিদ্যালয় এক্ট ২০১০ বাস্তবায়ন এবং সরকারি মনিটরিং বিষয়ে আপনার পর্যবেক্ষণ কি?
মোঃ রফিকুল ইসলাম: আমার ক্ষুদ্র অবস্থান থেকে এবং ব্রিটানিয়া ইউনিভার্সিটির এর ট্রাষ্টি বোর্ড এর চেয়ারম্যান হিসেবে আমি আমার ভুমিকা তো অবশ্যই রেখে যাচ্ছি এবং রেখে যাব। আমাদের যে একটা নিজস্ব ফোরাম আছে- বেসরকারি বিশ^বিদ্যালয় সমিতি’তে যে ভুমিকা আছে সেখানে আমি সব বিষয় তুলে ধরবো। এই সমিতির যে বর্তমান প্রেসিডেন্ট আছেন শেখ কবির সাহেব তিনিও আমার সাথে একমত পোষণ করেছেন যে, এই সব বিষয়ে আমরা আরও সিরিয়াসলি কাজ করবো। বেসরকারি বিশ^বিদ্যালয় এক্ট ২০১০ যদি সবাই কঠোরভাবে ফলো করে এবং এটি যদি মনিটরিং করা হয় নিয়মিত, ইউজিসি বা শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের যে মনিটরিং কমিটি আছে তারা যদি প্রতিনিয়ত মনিটরিং করেন তাহলে অনেক সুফল আসবে। তবে সরকার সক্রিয় আছে এই ক্ষেত্রে ব্যাপকভাবে। আপনারা জানেন, ইতিমধ্যে ৫ টি বেসরকারি বিশ^বিদ্যালয় এর অনুমোদন বাতিল করা হয়েছে। এই সব পদক্ষেপ নিলে এবং কি ঘটছে একটা উদাহরণ দিলেই হবে যে, ২০ হাজার ছেলে আছে আমাদের দেশের কয়েকটা ইউনিভার্সিটিতে। এক মাসে তার রেভিনিউ কতো আসে? এই টাকাগুলো কোথায় তারা ব্যয় করছে? শত শত কোটি টাকা মাসে রেভিনিউ আসছে- এটা তারা কোথায় ব্যয় করছে? এই বিষয় সরকারকে আরও ইনটেনসিভলি দেখা দরকার এবং সরকারের জনবল আরও বাড়ানো দরকার- এটি আমার সুপারিশ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এবং সরকারের প্রতি যে, অবশ্যই এই মনিটরিংটা যেন আরও নিবিড়ভাবে করা হয়।
আনন্দ আলো: বিদেশে ষ্টুডেন্ট মাইগ্রেশনে অনেক ধরণের অনিয়ম ও দুর্নীতি লক্ষ্য করা যায়। অতিরিক্ত টিউশন ফি আদায়, আন এথিক্যাল চ্যানেলে টিউশন ফি এর টাকা নেয়া হয়। বিদেশে পড়াশোনা করতে গিয়ে ষ্টুডেন্টরা সেখানে ঠিকমতো পার্টটাইম জব পাচ্ছে না। এই রকম ষ্টুডেন্টদের পরিবারকে জিম্মি করে নিঃস্ব হয়ে যাচ্ছে অনেক পরিবার- এই ধরণের ঘটনা অহরহ ঘটছে। আপনিও এই ব্যবসার সাথে জড়িত। বিভিন্ন সময় পত্র পত্রিকায় এই সব খবর দেখা যায়। ষ্টুডেন্টস মাইগ্রেশনে যে আন এথিক্যাল বিজনেস এবং ক্রাইম হচ্ছে তা ফাইন্ড আউট করে সমাধান করা যায় কিভাবে?
মোঃ রফিকুল ইসলাম: খুবই সময় উপযোগী এবং যথার্থ একটি প্রশ্ন করেছেন। এই জন্যে আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ। এই প্রশ্নের সম্মুখিন আমি ইতিপূর্বে বহু সাংবাদিক এর হয়েছি এবং এই বিষয়ে আমার উপলব্ধি বা আমার চিন্তাকে এইভাবে ব্যাখ্যা করতে পারি যে, আসলে সুনির্দিষ্ট নিয়মের মধ্যে আছে- আমার সাথে যতোগুলো ইউনিভার্সিটির চুক্তি বিদেশের বিভিন্ন দেশে আমেরিকা, কানাডা, ইউকে, অষ্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ডসহ আরও অনেক অনেক দেশ। ইউনিভার্সিটির নিয়মে পরিষ্কার লেখা আছে যে, আমি কোন ছাত্রের টিউশন ফি নগদ গ্রহণ করতে পারবো না। সরাসরি ব্যাংকের মাধ্যমে টাকা ইউনিভার্সিটিতে পাঠাতে হবে। আর যদি টিউশন ফি ফ্রি হয় যেমন, জার্মানী ও অষ্ট্রিয়ার অনেক ইউনিভার্সিটি- দে ডোন্ট চার্জ এনি টিউশন ফিস। সে ক্ষেত্রে আমরা তো সরাসরি টিউশন ফি নেয়ার অধিকারই রাখি না, আইন অনুযায়ী।
আনন্দ আলো: আপনি বিজনেস শুরু করেছিলেন রিকো ইন্টারন্যাশনাল বা রিকো ট্যুরস এন্ড ট্রাভেলস এর মাধ্যমে। এই মূহুর্তে বলা হচ্ছে- আপনি একজন গেøাবাল বিজনেস লিডার। আপনি আপনার নিজস্ব ঘরানার ব্যবসা থেকে বেরিয়ে এডুকেশনের মত স্পর্শকাতর সেক্টরে বিনিয়োগ করলেন কেন?
মোঃ রফিকুল ইসলাম: আমি খুব সংক্ষেপে এই প্রশ্নের উত্তর দিতে চাই যে, কুমিল্লায় বেসরকারি বিশ^বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার পেছনে কারণ ছিল এই যে, আমরা ১০ জেলা থেকে ফাউন্ডার মেম্বাররা একত্রিত হয়েছি। তারমধ্যে কুমিল্লারও দুই তিনজন আছেন। আমি এই স্বপ্নটা যখন দেখি তখন আমার মনে আছে- আমার ফাউন্ডার মেম্বার তপন সাহেব এর একটি কলেজ ছিল ম্যানচেষ্টার এ। সেই কলেজে আমি ভিজিটে গিয়ে তার সাথে আমার টেবিল টক হচ্ছিল। সেখানে বসে আমরা স্বপ্ন দেখলাম দেশে একটি ইউনিভার্সিটি করবো? আমরা সম্ভবত ২০১১ সালের শুরুর দিকে বিশ^বিদ্যালয় এর অনুমোদনের জন্যে আবেদন করি। তখন ঢাকায় স্যাচুলেটেড হয়ে গেছে বলে আমাদের মনে হয়েছে। আর ইনডিরেক্টলি জানতে পারলাম যে, ইউজিসি বা শিক্ষা মন্ত্রণালয় নৈতিক সিদ্ধান্তে এসেছে যে, ঢাকায় প্রাইভেট বিশ^বিদ্যালয় এর অনুমোদন আর দেয়া হবে না। আর এই সময়ে কুমিল্লায় ওই সময়ে কোন প্রাইভেট ইউনিভার্সিটি ছিল না। আমরা রিসার্চ করলাম বিভিন্ন জেলায় ভাল ভাল বেসরকারি বিশ^বিদ্যালয প্রতিষ্ঠিত হয়ে গেছে। তাই মনে হলো কুমিল্লা তিনটি কারণে প্রায়োরিটি পায়। নাম্বার ওয়ান- কুমিল্লায় ওই সময় কোন বেসরকারি বিশ^বিদ্যালয় নাই। দুই নাম্বার হলো, কানেকটিভিটি অর্থ্যাৎ ঢাকা থেকে টিচাররা গিয়ে ওখানে ক্লাস নিতে পারবেন। তখনকার চিন্তায় ফোর লেন খুব শিগগিরই হয়ে যাবে। তৃতীয় কারণ হলো- কুমিল্লার মাুনষ ঐতিহাসিকভাবে শিক্ষানুরাগী। একজন গরিব মানুষ যে কৃষক- ক্ষেতে আলু বা পটল উৎপাদন করেন যিনি, তিনিও স্বপ্ন দেখেন তার সন্তান বিশ^বিদ্যালয়ে পড়াশোনা করবে। এই সামাজিক বোধ কুমিল্লার মানুষের মধ্যে আছে। এই সব ইতিবাচক দিকগুলোকে আমরা তখন প্রাধান্য দিয়েছিলাম।
আনন্দ আলো: আপনাদের পাষ্ট ট্রাষ্টি বোর্ড এর চেয়ারম্যান এহসানুল হক তাকে দুদক খুঁজছে এবং দুদকের মামলায় তিনি ফেরারি। বর্তমানে বোর্ড আপনারা কতোজন আছেন, কি পরিমাণ বিনিয়োগ আছে এবং সর্বোপরি আউটপুট কি?
মোঃ রফিকুল ইসলাম: যে কোন প্রতিষ্ঠানের শুরুতেই অনেক চ্যালেঞ্জ থাকে। ভুলভ্রান্তি থাকে। এমন পরিস্থিতি কারো কাম্য নয়, তেমন অবস্থাও তৈরী হয়। মাঝখানে ফাউন্ডার চেয়ারম্যান যখন দায়িত্ব দিলেন তাকে এবং তিনি আমাদের ভাষায় শুরুতেই অনিয়মিত চেয়ারম্যান হিসেবে। কারণ নির্বাচিত ভাবে তিনি চেয়ারম্যান হননি। পরবর্তীতে তিনি তা শুধরেও নেননি। যখন তিনি এভাবে প্রতিষ্ঠান চালাতে শুরু করলেন যে, আমাদের দূভার্গ্য সমস্যা হলো। যাই পরবর্তীতে এই সব ভুল শুধরে বর্তমানে আমারে আউটপুট খুব ভাল।