দেবীর অপেক্ষায় আছি!-চঞ্চল চৌধুরী

দেবীর অপেক্ষায় আছি!-চঞ্চল চৌধুরী

306
SHARE
Chancal-CHowdhury-1

জনপ্রিয় অভিনেতা চঞ্চল চৌধুরী। একাধিক ধারাবাহিক নাটকের শুটিং নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন তিনি। পাশাপাশি চলচ্চিত্রেও নিয়মিত অভিনয় করছেন। অভিনয় ও সমসাময়িক নানা বিষয় নিয়ে কথা হলো তার সঙ্গে-

আনন্দ আলো: বর্তমানে কী নিয়ে ব্যস্ত?

চঞ্চল চৌধুরী: বর্তমানে বেশ কিছু ধারাবাহিক নাটকের কাজ করছি। অচিরেই আমার অভিনীত তিনটি ধারাবাহিক নাটক বিভিন্ন টিভি চ্যানেলে প্রচার শুরু হবে। এ ধারাবাহিকগুলো রচনা করেছেন বৃন্দাবন দাস। এগুলো হচ্ছে- সাইদুর রহমান রাসেলের ‘অষ্টধাতু’, সাগর জাহানের ‘ডি-২০’ ও সঞ্জিব সরকারের ‘মজনু একজন পাগল নামের’।

আনন্দ আলো: চরিত্রগুলো কেমন?

চঞ্চল চৌধুরী: তিনটি ধারাবাহিকে আমাকে ভিন্ন ভিন্ন চরিত্রে দেখা যাবে। চরিত্রগুলোতে নতুনত্ব আছে। তবে এই মুহূর্তে চরিত্রগুলো নিয়ে বেশি কিছু বলতে চাই না। ধারাবাহিকগুলো যখন প্রচারে আসবে তখন এই সম্পর্কে বিস্তারিত বলব।

আনন্দ আলো: চলচ্চিত্রের কী খবর?

চঞ্চল চৌধুরী: স¤প্রতি ‘দেবী’ ছবির শুটিং শেষ করেছি। এখন এই ছবির এডিটিংয়ের কাজ চলছে। তারপর ডাবিং শুরু হবে। হুমায়ূন আহমেদের দেবী উপন্যাস অবলম্বনে সরকারি অনুদানে চলচ্চিত্রটি নির্মাণ হচ্ছে। এই ছবিতে হুমায়ূন আহমেদের আলোচিত চরিত্র ‘মিসির আলী’র চরিত্রে আমাকে দেখা যাবে। এই চরিত্রটি আমার ক্যারিয়ারে নতুন মাত্রা যোগ করবে আশাকরি।

আনন্দ আলো: টিভি নাটকের সাম্প্রতিক হাল কেমন মনে হচ্ছে?

চঞ্চল চৌধুরী: সা¤প্রতিক সময়ে বেশ কিছু ভালো নাটক নির্মিত হয়েছে। নির্মাতাদের মধ্যে ভালো কিছু নির্মাণের প্রতিযোগিতা শুরু হয়েছে। গত দুই ঈদে তারই প্রতিফলন দেখা গেছে। তবে আমি মনে করি শুধু বিশেষ দিবস নয় অন্য দিনগুলোতেও ভালো নাটক নির্মাণের চেষ্টা থাকা দরকার।

নতুন ধারাবাহিক ‘প্রেমনগর’

সম্প্রতি মাছরাঙা টেলিভিশনে শুরু হয়েছে নতুন ধারাবাহিক নাটক ‘প্রেমনগর’। প্রতি সোম ও মঙ্গলবার রাত ১১ টায় প্রচার হচ্ছে নাটকটি। আহমেদ শাহাবুদ্দীনের রচনায় কমেডি নির্ভর নাটকটি পরিচালনা করেছেন সৈয়দ শাকিল। বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করেছেন কে এস ফিরোজ, সাবেরী আলম, মীর সাব্বির, উর্মিলা, আরফান আহমেদ, আ খ ম হাসান, তাসনুভা তিশা, ডা. এজাজ, তানিয়া বৃষ্টি, শবনম পারভীন, শিরিন আলম, তারিক স্বপন, রাশেদ মামুন অপু, সানজিদা তন্ময় প্রমুখ।

গ্রামের নাম প্রেমনগর। নামের কারণে হোক বা গ্রামবাসীর আচরণের কারণে হোক পার্শ্ববর্তী গ্রামে প্রেমনগরের অনেক বদনাম। এ গ্রামে কেউ ছেলে বিয়ে করাতে চায় না। ছেলের বউও করতে চায় না এই গ্রামের মেয়েদের। সবার ধারণা, প্রেমনগরের ছেলে-মেয়েরা খারাপ। শুধু প্রেম করে বেড়ায়। গ্রামের এই বদনাম দূর করতে কিছু মুরুব্বি শ্রেণির মানুষ প্রভাবশালী জলিল মেম্বারের কাছে যায়। তারা গ্রামে প্রেম নিষিদ্ধ করার দাবি জানায়। কিন্তু জলিল এতে সম্মতি দেন না। কিন্তু নিজের ছেলে যখন একজন দরিদ্র চা-বিক্রেতার মেয়ের প্রেমে পড়ে যায় তখন ছেলেকে সরাসরি বাধা দিয়ে গ্রামে প্রেম নিষিদ্ধ করেন। ফলে প্রেম নিয়ে ঘটতে থাকে মজার মজার ঘটনা।