Home আরোও বিভাগ টিভি গাইড দর্শকদের আস্থা নষ্ট করতে চাই না

দর্শকদের আস্থা নষ্ট করতে চাই না

SHARE

টিভি নাটক ও চলচ্চিত্র দু’মাধ্যমেই কাজ করছেন অপর্ণা ঘোষ। অফট্র্যাকের সিনেমায় অভিনয় করে তিনি দর্শকদের প্রশংসা পেয়েছেন। বর্তমানে ব্যসত্ম রয়েছেন ধারাবাহিক ও খন্ড নাটকের অভিনয় নিয়ে। কথা হলো অপর্ণার সঙ্গে-

আনন্দ আলো: নতুন কোন নাটকে কাজ করলেন?

অপর্ণা ঘোষ: সম্প্রতি মাহমুদ দিদারের রচনা ও পরিচালানয় ‘অলৌকিক প্রেমের ঘ্রাণ’ নামের একটি টেলিছবিতে কাজ করেছি। এতে একজন বার ড্যান্সারের চরিত্রে দেখা যাবে আমাকে। এছাড়াও হিমেল আশরাফের ‘মিসফায়ার’ ও রুম্মান রনির নাম চূড়ানত্ম না হওয়া একটি নাটকের কাজ করেছি। এ ছাড়াও আসছে ঈদের জন্যও বেশ কিছু নাটকে কাজ করব। আর প্রচার চলতি ধারাবাহিক ‘হাউজ ৪৪’সহ বেশকিছু নাটকে কাজ করছি।

আনন্দ আলো: ‘হাউজ ৪৪’-এ কাজ করে কেমন লাগছে?

অপর্ণা ঘোষ: মাবরুর রশীদ বান্নাহ পরিচালিত নাটকটির এরই মধ্যে ৬১ পর্ব প্রচার হয়েছে। এখন ইউনিটের সবাই পরিবারের মতো হয়ে গেছি। শুটিং না থাকলে সবাইকে মিস করি। নাটকটির গল্পও একটি বাড়িকে কেন্দ্র করে। বাড়িওয়ালার দুই মেয়ে ও ব্যাচেলর ভাড়াটিয়াদের সঙ্গে নানান ঘটনা দেখানো হচ্ছে। ইউটিউবে নাটকটির দর্শকসংখ্যা অনেক।

আনন্দ আলো: ‘ভুবন মাঝি’ ছবির কী খবর?

অপর্ণা ঘোষ: ফখরুল আরেফিনের পরিচালনায় নির্মিত এই ছবিটির কাজ শেষ হয়েছে গত মার্চে। কলকাতায় বোলপুরে ছবির শেষ অংশের চিত্রায়ণ হয়েছে। এখন ডাবিং ও সম্পাদনার কাজ চলছে।

আনন্দ আলো: নতুন কোন চলচ্চিত্র নিয়ে কথা হয়েছে?

অপর্ণা ঘোষ: ‘মেঘমল্লার’, ‘সূতাপার ঠিকানা’সহ বেশকিছু ভিন্ন ধরনের ছবিতে আমি অভিনয় করেছি।  ভালো গল্প ও নির্মাতা ছাড়া মানসম্মত ছবি হয় না। শুরু থেকেই তাই গল্পকে প্রাধান্য দিয়ে কাজ করে যাচ্ছি। পরবর্তী ছবিতেও এ ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে চাই। কারণ মানহীন চলচ্চিত্রে অভিনয় করে দর্শকের আস্থা নষ্ট করতে চাই না। অনেক ছবির প্রসত্মাব পাই। কিন্তু সব ছবিতে তো অভিনয় করা হয় না।

পরিবেশ দিবসের বিশেষ টেলিফিল্ম বিহঙ্গ মায়া

Fazlur-Rahman-Babuছোটবেলা থেকেই কাদার মতো নরম মনের জমিনে এই বীজ রোপণ করেছিলেন পরাণের বাবা। শৈশব, কৈশোর পেরিয়ে দুরনত্ম যৌবনে সেদিনের সেই বীজ অঙ্কুরিত হয়ে আজ মহীরুহের আকার নিয়েছে। বংশ পরম্পরায় প্রকৃতির প্রতি ভালোবাসা জন্মেছে মেয়ে পাখির ভেতরও। তাই বারোমাসী অভাবের সংসারে পাখির অবাধ বিচরণ। হাঁড়িতে ভাত না থাকলেও পাখির জন্য ঠিক খাবার জুটে যায়। মেয়ে পাখি আর প্রকৃতির পাখির মধ্যে পরাণ কোনো তফাৎ খুঁজে পায় না। তাইতো পাখি শিকারে কেঁদে ওঠে তার মন। খাঁচায় বন্দী পাখি দেখলে পরাধীনতা ছুঁয়ে যায় বার বার। একদিন সত্যি সত্যি পরাধীনতার শৃঙ্খল ভেঙে ফেলে পরাণ। গাঁয়ের প্রভাবশালী মেম্বারের পাখি ছেড়ে দেয়। মুক্তির স্বাদ উভয়কেই উলেহ্মাসিত করে। পর ণেই নেমে আসে বিষাদের কালো ছায়া। পাখি ছাড়ার অপরাধে পরাণের ওপর দিয়ে অনেক ঝড়-তুফান বয়ে যায়। গাছের সাথে বেঁধে রাখা হয় তাকে। তারপরও মেম্বারের নির্যাতনের কথা ভুলিয়ে দিয়েছে নীল আকাশের মায়াবী-মাধবী চাঁদ। সে চাঁদের আলোর বৃষ্টিতে অবগাহন করে। প্রকৃতির অপার সৌন্দর্যে মুগ্ধ হয়। গান গায়।

নির্জন রাতের এক সময় পাহারাদারের চোখ ফাঁকি দিয়ে পালিয়ে যায় পরাণ। ওই রাতেই বিচার থেকে ফেরার পথে নিখোঁজ হয় মেম্বার। চেয়ারম্যান আসে। গ্রামবাসী আসে। দলের লোক আসে। চলে খোঁজা-খুঁজি। বিরোধী দলের ওপর দোষ চাপানো হয়। থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়। পুলিশ আসে। তারপরও মেম্বারের হদিস মেলে না। মেম্বারের স্ত্রী মরিয়ম দিনে দিনে অসুস্থ হয়ে যান। দুদিন পর মেম্বারকে সঙ্গে নিয়ে তার বাড়িতে হাজির হয় পরাণ। মেম্বারের কাছ থেকে জানা যায় পরাণই তাকে আটকিয়ে রেখেছিল। সবাই বিস্ময়ে হতবাক! মেম্বারকে আটকিয়ে রাখার এত সাহস হলো কি করে পরাণের? টেলিফিল্মের বাকি অংশই দেবে তার উত্তর।

পাখির প্রতি অপার ভালোবাসা নিয়ে রচিত হয়েছে টেলিফিল্ম ‘বিহঙ্গ মায়া’। ৬০ মিনিট ব্যাপ্তির এ টেলিফিল্ম গল্প ভাবনা মুকিত মজুমদার বাবুর। নাট্যরূপ দিয়েছেন তুষার কানিত্ম সরকার। পরিচালনা করেছেন বিশিষ্ট পরিচালক আবুল হায়াত। অভিনয় করেছেন ফজলুর রহমান বাবু, নাজনীন হাসান চুমকি, ডা. এজাজ, শিরিন আলম, সফিক খান দিলু, বহতা নদী, রানা খানসহ অনেকে। বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপল ে বিশেষ টেলিফিল্ম ‘বিহঙ্গ মায়া’ প্রচারিত হবে আগামী ৩ জুন চ্যানেল আইতে দুপুর দুটার সংবাদের পর।