তারকার ফেসবুক

তারকার ফেসবুক

639
0
SHARE
obaidul-kader

নতুন অভিজ্ঞতা

গত ২৯ সেপ্টেম্বর কোনো ধরনের প্রটোকল ছাড়াই আসাদগেট থেকে টিকিট কেটে বিআরটিসির দোতলা বাসে ওঠেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। যাত্রাপথে বাসে ঘুরে ঘুরে যাত্রীদের সঙ্গে কথা বলেন ও তাদের সমস্যা সম্পর্কে জানতে চান। পরে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনের সড়কে নেমে তিনি নিজ কার্যালয়ে যান। এ নিয়ে মন্ত্রী তার ফেসবুক টাইম লাইনে লিখেছেন, সাধারণ মানুষের সঙ্গে বাসের টিকিট কেটে গন্তব্য পৌঁছানোর এটা নতুন এক অভিজ্ঞতা। বিশেষ করে মন্ত্রী হওয়ার পর।

ফারুক ভাই বেঁচে থাকবেন শ্রদ্ধায় ভালোবাসায়

rownokমুখ ভর্তি দাড়ি, চোখে চশমা। চেহারায় বয়সের ছাপ। দেখেই বোঝা যাচ্ছে ৬০ বছরের বৃদ্ধ, তিনি কিন্তু বাস্তবে নয়। একটি নাটকের দৃশ্যে এমন চরিত্রে অভিনয় করতে হয়েছিল  অভিনেতা রওনক হাসানকে। হ্যাঁ তিনি অভিনেতা রওনক হাসান। তখন তার বয়স ছিল ১৮ বছর। আর এই মেকআপ করেছিলেন সদ্যপ্রয়াত খ্যাতিমান মেকআপ আর্টিস্ট ফারুক আহমেদ। তিনি গত ২ সেপ্টেম্বর শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। তার নিপুণ মেকআপ নিয়ে অভিনেতা রওনক হাসান তার ফেসবুক টাইম লাইনে লিখেছেন, এই গেটআপটা অসামান্য রূপসজ্জাকর শিল্পী ফারুক আহমেদ ভাইয়ের দেয়া। কি অসাধারণ তার হাতের জাদু। যারা তার সঙ্গে কাজ করেছেন এবং সামনে থেকে দেখেছেন কেবল তারাই বলতে পারবেন। এই যে ছবিটি দেখছেন এটি মঞ্চে আমার প্রথম অভিনয়। আমাকে সাজিয়েছিলেন ফারুক ভাই। তখন অভিনয়ের অ জানি না। ১৮ বছর বয়সে ৬০ বছরের বৃদ্ধর চরিত্র করে পার পেয়ে যেতাম ফারুক ভাইয়ের ছোঁয়ায়। জীবনের প্রথম অভিনয় থেকে শুরু করে অসংখ্য মঞ্চ ও টিভি নাটকে ফারুক ভাইয়ের সঙ্গে কাজ করার সুযোগ হয়েছে আমার। আমার জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত এই মানুষটি আমার হৃদয়ে থাকবেন শ্রদ্ধায়, ভালোবাসায়।

সবার জন্য একটি ধাঁধা

shawonভারতীয় টিভি চ্যানেল স্টার প্লাস-এর ইন্টারন্যাশনাল জোনে প্রচার শুরু হয়েছে তিতলি ভাইয়া, কঙ্কা ভাইয়া’র নাটক আজ রবিবার। পরিচিত চরিত্র আর হুমায়ূন আহমেদীয় সংলাপ হিন্দিতে শুনতে আমাদের ভালো লাগবে না আমি জানি। কিন্তু মনে রাখতে হবে যে, এই হিন্দি ভার্সনের টার্গেট অডিয়েন্স কিন্তু আমরা বাংলাদেশিরা না। স্টার প্লাসের এশিয়া জোনের সব ক’টি দেশের হিন্দি ভাষাভাষী দর্শকদের যাদের কাছে কিন্তু পুরো নাটকটাই নতুন। ভিনদেশি দর্শকদের ভালো লাগুক, এটাই হবে বাংলাদেশের নাটকের জয়। একটি ধাঁধা: নাটকটির নাম আজ রবিবার হলো কেন- কেউ বলতে পারবেন কি? এটা কিন্তু একটা সিক্রেট। কথাগুলো নিজের ফেসবুক টাইম লাইনে লিখেছেন অভিনেত্রী মেহের আফরোজ শাওন।

আলগা পদযুগল থেকে সময় কাটাতো

masum-rezaস্ট্যাচু অব ব্রাতিসলাভা। একজন পরিচ্ছন্নকর্মী ম্যানহোল থেকে মুখ বের করে রাস্তায় থুতনি ঠেকিয়ে দাঁড়িয়ে আছে।  োভাকিয়ার মানুষেরা বলে এই স্ট্যাচুর মাথা ছুঁয়ে কোনো কিছু প্রত্যাশা করলে তা পূরণ হয়। কেউ কেউ বলে এটা কমিউনিজম কালিন শ্রমিকের প্রকৃতরূপ। কাজে ফাঁকি দিয়ে তারা হন্টনরত মেয়েদের স্কাট থেকে বেড়িয়ে আসা আলগা পদযুগল দেখে সময় কাটাতো…। কথাগুলো নিজের ফেসবুক টাইম লাইনে লিখেছেন বিশিষ্ট নাট্যকার মাসুম রেজা।

ইংল্যান্ড ভরা শিক্ষক আমার সবার আমি ছাত্র

গায়ক, কম্পোজার প্রীতম আহমেদ এখন ইংল্যান্ড আছেন। তার ফেসবুক টাইম লাইনে লিখেছেন, এখানে যার সঙ্গেই হাল্কা পাতলা কথা হয় সেই আমারে কিছু না কিছু শিখাইতে চেষ্টা করি। এমনকি কাউকে যদি ফোনে বলি ভাই বিজি আছি, একটু পরে কথা বলি। অপর প্রান্ত থেকে পরবর্তী প্রশ্নটা এমন- কোন্‌ কাজ নিয়ে ব্যস্ত, কোন্‌ জায়গায় আছেন, ঘণ্টা কত?

বড়ই দুঃখ লাগে প্রথম বিশ্বের একটি দেশে আসার পর কেউ যদি গান নিয়ে প্রশ্ন করে গান গাওয়ার ঘণ্টা কত? তারা কি বোঝে না এটা পেশা নয় সৃজনশীল কাজ। ইংল্যান্ডে প্রচুর বাঙালি তারা এতটাই বোঝে যে তাদের কাছে নিজেকে নবীন ছাত্র মনে হয়।

নিয়ে যান যত খুশি

এবারের কোরবানি ঈদে আমেরিকায় ছিলাম। ঈদের রাতে ৩টা পর্যন্ত জেগে আছি। এসময় এক বন্ধুকে নিয়ে গেলাম জ্যাকসন হাইটে চা খেতে। এত রাতে নিউইয়র্কের বাঙালি পাড়া জেগে আছে। হঠাৎ দেখলাম মোবাইল সিম কার্ডের দোকান খোলা। গেলাম সিম কার্ড কিনতে। দোকানি বলল লাইকা কোম্পানির সিম নিন। ঢাকায় এক মাস কথা বলা ফ্রি। আমি বিনয়ের সঙ্গে বললাম সিম নেব কীভাবে সঙ্গে তো পাসপোর্ট, ফটো, আইডি সঙ্গে নেই। সকালে এসে নেব। এখন জেনে গেলাম। দোকানি বলল পাসপোর্ট, ফটো, আইডি লাগবে না। তাহলে আঙুলের চাপ নিয়ে নিন। কারণ সন্ত্রাস দমন নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে সবচেয়ে বেশি উৎকণ্ঠা। দোকানি বলল- এটাও লাগবে না। আমি বললাম ভাই আমার স্ত্রী কয়েকদিন পর এখানে আসবেন। আমি কি তার জন্য একটি সিম কার্ড কিনতে পারি? সে বলল- অবশ্যই পারবেন। নিয়ে যান যত খুশি। যুক্তরাষ্ট্রে সিম কার্ডের সঙ্গে সন্ত্রাসী ধরার সম্পর্ক নেই। সঙ্গে থাকা বন্ধু বলল- এত বক বক করশি যে। বললাম বোঝার চেষ্টা করছি। কথাগুলো নিজের ফেসবুক টাইম লাইনে লিখেছেন- বিশিষ্ট সাংবাদিক নঈম নিজাম।

মানবিক ঢাকা গড়ার উদ্যোগ

প্রাণী দিবসের একটি অ্যালবাম দেখলাম। মনটা ভারী হয়ে গেল। প্রাণী বৈচিত্র্যে ভরপুর আমাদের এই ঢাকাকে আমরা কোথায় নিয়ে গেছি। আমাদের মানবিক ঢাকা গড়ার উদ্যোগ অব্যাহত আছে। সেই সুন্দর ঢাকাকে পুরোপুরি ফিরিয়ে আনতে না  পারলেও এর কাছাকাছি যেতে চেষ্টা করব। কথাগুলো নিজের ফেসবুক টাইম লাইনে লিখেছেন- ঢাকা উত্তরের মেয়র আনিসুল হক।

আমাদের মইরা যাওয়া উচিত

fariaআয়নাবাজি দেখার পর যা মনে হয়েছে, যারা নতুন হিসেবে ভালো সিনেমা বানাতে চায় তাদের জন্য একটা অনুপ্রেরণা হতে পারে। যতই বড় স্টার, বিদেশি স্টার, বিদেশি গায়ক, আইটেম সং খোলামেলা পোশাক পরানো হোক না কেন দিন শেষে মানুষ সিনেমার গল্প আর অভিনয়কে মনে রাখে এবং দেখতে হলে যায়।

আয়নাবাজির টিমটাও দারুণ। রাশেদ জামান আমাদের দেশের শ্রেষ্ঠ সিনেমাটোগ্রাফার, শাওন ভাই খ্যাতিমান কর্পোরেট ব্যক্তিত্ব, স্ক্রীপ রাইটার অনম দা নিঃসন্দেহে দেশের ৩ জন ক্রিয়েটিভের মধ্যে একজন, অমিতাভ রেজা আমাদের দেশের অন্যতম গুণী নির্মাতা। চঞ্চল ভাই একজন অসম্ভব ভালো এক অভিনেতা। এসব কিছুর কম্বিনেশনে তৈরি হয়েছে আয়নাবাজি। এই ছবি যদি ভালো না হয় তাহলে আমাদের মইরা যাওয়া উচিত। অনেকে ভাবছে এই সিনেমা দিয়ে আমাদের দিন ফিরে যাবে। ইউ আর রং। প্রতিবছর এ ধরনের ডজন খানেক ছবি হতে হবে। তবেই চেঞ্জ আসবে। কথাগুলো নিজের ফেসবুক টাইম লাইনে লিখেছেন অভিনেত্রী শবনম ফারিয়া।