তারকার ফেসবুক

তারকার ফেসবুক

1767
SHARE
tisha

ফারুকীর ফেসবুকে তিশার ছবি!

আনন্দ আলো ঈদুল ফিতর ২০১৬ সংখ্যা সম্পর্কে একজন পাঠক আনন্দ আলো ডটকম সাইটে তার মনৱব্যে বলেছিলেন ‘পাঁচশ টাকা মূল্যের আনন্দ আলো ঈদুল ফিতর সংখ্যা হাতে নিয়ে মনে হলো-পাঁচ কেজির বেশি হবে। প্যাকেট খুলে মূল সংখ্যার সঙ্গে সাহিত্য, শিশুসাহিত্য, পাঁচটি রান্নার রেসিপি বুকলেট, সাজগোজের দুটি বুকলেট এবং স্থাপত্য বিষয়ক স্বপ্নের কারিগর শীর্ষক একটি বুকলেট দেখে চমকে গিয়েছিলাম। এই চমক শেষ হতে বছর পার হবে। আমরা শুধু একজন পাঠকের মনৱব্য এখানে তুলে ধরলাম। এরকম অসংখ্য পাঠক আনন্দ আলোর বিশেষ সংখ্যাগুলো নিয়ে অনেক গুরুত্বপূর্ণ মনৱব্য করে থাকেন। মনৱব্য করেন শোবিজের অনেক তারকাও। সবার সৃজনশীল মনৱব্য, পরামর্শ ও সৃজনশীল সমালোচনায় আনন্দ আলোর পথ চলতে সহজ হচ্ছে। আসলে পত্রপত্রিকার মূল ভরসা হচ্ছে তার অগণিত পাঠক। তাই পত্রিকা কর্তৃপক্ষ বরাবরই বলে থাকেন আমরা পাঠকের কাছে দায়বদ্ধ। এখন পাঠক কাতারে পাঠকরা তো বটেই, পত্র-পত্রিকার অনলাইন সংস্করণ, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম, ফেসবুক, টুইটার এবং ওয়েব সাইট তথা ভার্চুয়াল জগতের সদস্যরাও যোগ হয়েছে। দেশে এখন পাঁচ কোটির অধিক মানুষ ইন্টারনেট ব্যবহার করছে। ডিজিটালের এই যুগে খবর শোনার, পড়ার ও দেখার পাঠক হুঁ হুঁ করে বাড়ছে প্রতিনিয়ত। ছোট একটি ভালো বা মন্দ খবর কয়েক মুহূর্তে ভাইরাল হয়ে কোটি পাঠকের চোখে আছড়ে পড়ে। গত ঈদুল আজহা আনন্দ আলো ২০১৬ সংখ্যাটির কথা এখানে উল্লেখ করতে চাই। সংখ্যার প্রচ্ছদে ছাপা হয়েছে শোবিজের জনপ্রিয় তারকা তিশার একটি এক্সক্লুসিভ ছবি। আনন্দ আলো বাজারে যাওয়ার পর সংখ্যাটি আপলোড করা হয় আনন্দ আলো ডটকম সাইটে। মাত্র একদিনের ব্যবধানে প্রচ্ছদটি সাধারণ পাঠক থেকে বিশিষ্টজনদেরও গভীর মনোযোগ আকর্ষণ করে। বিশিষ্ট নির্মাতা মোসৱফা সারওয়ার ফারুকীর কথাই ধরা যাক। তিনি এই প্রচ্ছদটি নিয়ে ফেসবুকে লিখেছেন। তিনি বরাবরই যে কোনো বিষয়ে ভেবে চিনেৱ তার প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন। সহজে কোনো বিষয়ে প্রশংসায় পঞ্চমুখ হন না। ফারুকী তার ফেসবুক টাইম লাইনে এই প্রচ্ছদ নিয়ে লিখেছেন- তিশার কোনো ফেসবুক আইডি নেই। ফেসবুক নিয়ে তার কোনো আগ্রহও নেই। আমার ফেসবুকে তার কোনো ছবি আপলোড করা হয়নি কখনো। আমি আগ্রহ দেখালেও তিশার তেমন আগ্রহ ছিল না। আনন্দ আলো ঈদুল আজহা সংখ্যা হাতে পাওয়ার পর প্রচ্ছদে তিশার ছবি দেখে বেশ অবাক লাগলো। অনেক দিন পর ওর একটি ভালো ছবি ছাপা হয়েছে পত্রিকায়। ঝক ঝকে তক তকে ছাপা, ছবির কোরিওগ্রাফটাও সুন্দর। ভাবলাম ছবিটি আমার ফেসবুকে পোস্ট করি। তিশাকে বলার পর সেও রাজি হলো। ব্যস, এই প্রথম তিশার একটি দৃষ্টি নন্দন ছবি আমার ফেসবুক টাইম লাইনে পোস্ট করলাম। আনন্দ আলো পরিবারকে এজন্য অভিনন্দন।

ধরো বন্ধু আমার কেহ নাই

উড়ি উড়ি। প্রতিদিনই প্রতিক্ষণই উড়ি। যখন তার হাতে মানে মায়ের হাতের সকালের চা পাই, থপ থপ করে হাঁটার জন্য বকা খাই, ইলিশের ভাজা চাই। দুজনে মিলে থাইল্যান্ডের উদ্দেশ্যে উড়ছি। চিকিৎসা ভ্রমণে। এ জন্য কি আমার অসুবিধা বেশ ক’দিন ধরে? মা বললেন, চল আমি তোরে দেখায়া আনি। আহা এতেই অর্ধেক সুস্থ! মাকে জড়িয়ে ধরে গাইলাম ‘ধরো বন্ধু আমার কেহ নাই, তোলো বন্ধু আমার কেহ নাই’। কথাগুলো নিজের ফেসবুকে লিখেছেন সাংবাদিক মুন্নী সাহা।

আবার টাকার শহর ঢাকায়

beautyপ্রায় দেড় বছর পর বাবা, মা, ভাইবোন, আত্মীয়-স্বজনসহ পুরো পরিবারের সঙ্গে একটা আনন্দময় ঈদ কাটালাম। বিভিন্ন ব্যসৱতার কারণে গত কয়েকবছর বাবা-মাকে ছাড়াই ঈদ কাটাতে হয়েছে ঢাকায়। তবে এবার আর মিস করিনি। আমার রায়াত সোনাকে নিয়ে ঈদের বেশ কিছুদিন আগেই ওর নানু বাড়িতে চলে গিয়েছিলাম। নানু বাড়িতে এবারই রায়াতের প্রথম ঈদ উদযাপন। পুরো পরিবারের সঙ্গে কয়েকটা দিন খুব আনন্দে কাটিয়েছি। বহুদিন ঢাকায় থাকার কারণে সব কিছু কেমন যেন ভারি ভারি লাগছিল। এই কয়দিনে গ্রামের ফ্রেশ বাতাসে মনটা অনেকটা হালকা হয়ে গেছে। সেদিন আনন্দময় সময়কে পেছনে রেখে ঢাকায় ফিরেছি। যদিও আসতে ইচ্ছে করেনি তবুও আসতে হলো, টাকার শহর ঢাকায়। বাবা-মাসহ সবাইকে অনেক মিস করবো। কথাগুলো নিজের ফেসবুক টাইম লাইনে লিখেছেন ক্লোজআপ ওয়ান তারকা সঙ্গীত শিল্পী বিউটি।

কোথায় পাবো যুবতী নারীর কোল

সেদিনের মধ্যাহ্নভোজে চ্যাপার শুঁটকি ভর্তা দুই রকম। একটি কাঁচা মরিচের, আরেকটা শুকনা মরিচের সঙ্গে ভর্তা, ডাল এবং ডিম আলুর ঝোল, ঘামছি আর ভাবছি কোথায় পাবো যুবতী নারীর কোল। কথাগুলো নিজের ফেসবুক টাইম লাইনে লিখেছেন কবি মাহবুব হক শাকিল।

টাকা আসে ঠিকই কিন্তু ক্ষুধা মিটে না

শো করতে ইচ্ছে করে লাখো মানুষের সামনে, জ্ঞাত কারণেই সম্ভব হচ্ছে না। প্রতি স্ট্যাটাসেই মানুষের আকুতি দেখি, তারা আমাকে দেখতে চায়, ছবি তুলতে চায় কিন্তু শো না হলেতো ঝিনুক খোলস থেকে বের হয়ে মুক্তা ফলাতে পারছে না। অনেকগুলো বছর হয়ে গেল ওপেন এয়ার কনসার্ট করতে পারছি না। ফয়েজ লেক আর ফ্যান্টাসী কিংডমে মনপুত হয় না। সর্বোচ্চ পাঁচ হাজার মানুষ হয়। এতে দুধের স্বাদ অনেকটা ঘোলে মিটতো, এখন তাও বন্ধ।

কর্পোরেট শো করি না। তিন শো লোক ফিটফাট হয়ে বসে থাকবে, খাবার খেয়ে চলে যাবে। এ সমসৱ শো -তে টাকা আসে কিন্তু ক্ষুধা মিটে না। গত আট বছর বিদেশে শো বন্ধ রেখেছি, মাঝে মধ্যে আশেপাশের দেশে যাই। আটলান্টিক পাড়ি দেই না সেই ২০০৮ সাল থেকে। জার্নি ভয় পাই ফিটনেসের কারণে। এবার যাব, ফাইল ওপেন করেছি, দ্রুত যাচ্ছি আমেরিকা, কানাডা, ইউরোপ ও অস্ট্রেলিয়া। প্রচুর শো হওয়া দরকার দেশে, জনতার জোয়ারে সঙ্গীতের অনিশ্চিয়তা কেটে যাবে। বিনোদনের ধারা অব্যাহত রাখলেই গুমট অবস্থা থেকে রক্ষা পাওয়া যাবে, নইলে বৃত্তবন্দী হয়ে থাকতে হবে। যে ভাবে বিদেশি ক্রিকেট দলগুলো নিরাপত্তা নিয়ে খেলতে আসছে সেভাবেই নিরাপত্তা দিয়ে লাখো মানুষের বিনোদনের ব্যবস্থা করতে হবে। কথাগুলো নিজের ফেসবুক টাইম লাইনে লিখেছেন সঙ্গীত শিল্পী আসিফ আকবর।

বন্ধুরা চেনা যায়?

dhigiসুব্রত দোয়েল দম্পতির একমাত্র সনৱান তারকা শিশুশিল্পী দীঘি বেশ ক’বছর অভিনয় থেকে দূরে। পড়াশোনা নিয়ে বেশ ব্যসৱ। এরই মধ্যে কে বা কারা দীঘির নামে ফেসবুকে ফেক আইডি খুলে ছবি ও নিউজ আপলোড করছে নিয়মিত। এতে বিস্ময় প্রকাশ করেছেন দীঘি ও তার বাবা সুব্রত।

সম্প্রতি দীঘি একটি ফেসবুক আইডি খুলেছে। কৈশোর উত্তীর্ণ দীঘি তার ফেসবুক টাইম লাইনে লিখেছে, অনেক বন্ধুর অনুরোধে আমার বর্তমান ছবি আপলোড করলাম। বন্ধুরা আমাকে কি চেনা যাচ্ছে? সবাই আমার জন্য দোয়া করবেন।

যখন তুমি স্বপ্ন চূড়ায় উঠবে

লাক্স চ্যানেল আই তারকা অভিনেত্রী আয়েশা মনিকা তার ফেসবুক টাইম লাইনে লিখেছেন, ভালো কিছু পাবে যদি তুমি চেষ্টা করো। যদি পড়ে যাও তবে আবার উঠে দাঁড়াও এবং চলতে থাকো। সেখানে কিছু না কিছু তোমার জন্য থাকবেই। স্বপ্নবাজ হও। এগিয়ে যাও সামনের দিকে। অনেকে তোমার স্বপ্ন চুরি করতে চাইবে। বলবে তুমি নির্বোধ, অহেতুক ছুটছো। কিন্তু তুমি সেটা টের পাবে তখন যখন তুমি স্বপ্ন চূড়ায় উঠবে। আর স্বপ্ন চূড়ায় উঠে দাঁড়ানোর অনুভূতিটা অসাধারণ।

আলস্য ভেঙে আবার সেই…

mahiবিয়ের পর প্রায় দুই মাস অবসর। সকালে উঠে শুটিং- এ যাওয়ার তাড়া নেই, মেকআপ নিয়ে শট দেয়ার টেনশন নেই। কোন্‌ ছবির পোশাক কেমন হবে সেই ঝামেলা নেই। শুধু মজার খাবার খাওয়া, যখন তখন ঘুম, যেখানে সেখানে বেড়ানো, ঘোরাঘুরি আর জম্পেস আড্ডা। কোথা দিয়ে কেমন করে যেন সময়গুলো পালিয়ে গেল। টেরও পেলাম না। এখন আবার সকালে উঠে দে ছুট, শুটিং করো ডাবিং করো। মেকআপ নাও, কাঁদো হাসো অমুককে পেটাও তমুককে পটাও। এসব আর ভালো লাগে না। অলসতা পেয়ে বসেছে আমাকে। তবুও জীবন সংগ্রামে নামতে হবে। বিয়ের ছুটি কাটিয়ে ১৯ সেপ্টেম্বর থেকে কাজ করেছি হারজিৎ ছবির। এখন একটানা আধাডজন ছবির কাজ করতে হবে দিন-রাত। এইতো জীবন। কথাগুলো নিজের ফেসবুকে লিখেছেন নায়িকা মাহিয়া মাহি।