কোরবানির ঈদ, ফ্রিজ টিভি আসবাবপত্রে ছাড়!

কোরবানির ঈদ, ফ্রিজ টিভি আসবাবপত্রে ছাড়!

105
SHARE
Refrigerator-menu-1920x600

তন্ময় মাহমুদ
ঈদুল আজহায় রেকর্ড পরিমাণ ফ্রিজ বিক্রি করতে চায় বাংলাদেশি ইলেকট্রনিক্স সামগ্রীর শীর্ষ স্থানীয় ব্র্যান্ড ওয়ালটন। সে কারণে এবারের কোরবানির ঈদে পাঁচ লাখ ফ্রিজ বিক্রির লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে প্রতিষ্ঠানটি। আধুনিক প্রযুক্তি ও সময়ের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে সামনের দিকে এগিয়ে চলেছে ওয়ালটন। নতুন নতুন প্রযুক্তি ও বৈচিত্র্যময় ডিজাইনের উচ্চ মানসম্পন্ন ফ্রিজ সরবরাহ করে গ্রাহকদের আস্থার শীর্ষে উঠে এসেছে এই বাংলাদেশি ব্র্যান্ড। ওয়ালটন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, দীর্ঘদিন ধরেই বাংলাদেশে ফ্রিজের সিংহভাগ মার্কেট শেয়ার ওয়ালটনের দখলে। গত রমজান মাসে স্থানীয় বাজারে দুই লাখের বেশি ফ্রিজ বিক্রি করেছে তারা। দেশের বাজারে কোরবানির ঈদকেই মনে করা হয় ফ্রিজ বিক্রির প্রধান মৌসুম। কারণ নিত্যকার প্রয়োজন ছাড়াও কোরবানির মাংস সংরক্ষণের জন্য ওই সময় ফ্রিজ বিক্রি ব্যাপক হারে বেড়ে যায়। যে কারণে বিক্রেতারা সারা বছর অপেক্ষা করেন এই সময়টির জন্য । কিন্তু দেখা যায়, বেশির ভাগ বছরে শেষমুহূর্তে এসে চাহিদার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে উঠতে পারেন না ফ্রিজ সরবরাহকারীরা। সে কারণে এবার আগে থেকেই প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছে ওয়ালটন। কারখানায় উৎপাদন বাড়ানো হয়েছে। গড়ে তোলা হয়েছে পর্যাপ্ত মজুদ। এ অবস্থায় চলতি জুলাই ও আগস্ট মাসে পাঁচ লাখের মতো ফ্রিজ বিক্রির লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে, যা গত কোরবানি ঈদের বিক্রির তুলনায় প্রায় ২৭ শতাংশ বেশি।
গত বছর কোরবানি ঈদের আগে (জুলাই ও আগস্ট) ৪ লাখের কাছাকাছি ফ্রিজ বিক্রি হয়েছিল ওয়ালটনের। আর এই লক্ষ্যমাত্রা পূরণে এরই মধ্যে প্রয়োজনীয় কর্মকৌশল গ্রহণ করা হয়েছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। ওয়ালটনের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ফ্রিজ নিয়ে গবেষণার জন্য ওয়ালটনের রয়েছে এশিয়ার অন্যতম বৃহৎ উন্নয়ন ও গবেষণা কেন্দ্র। সেখানে কর্মরত দক্ষ প্রকৌশলীরা প্রতিনিয়ত গবেষণার মাধ্যমে বাজারে আনছেন বাংলাদেশের আবহাওয়া উপযোগী লাগসই প্রযুক্তি ও ডিজাইনের রেফ্রিজারেটর। এরই মধ্যে বাজারে গ্রাহকপ্রিয়তা পেয়েছে ওয়ালটনের গøাস ডোর, ইন্টেলিজেন্ট ইনভার্টার ও বড় ডিপযুক্ত বিভিন্ন মডেলের ফ্রিজ। এর বাইরে ওয়ালটনের সকল মডেলের ফ্রিজেরই রয়েছে বিশাল চাহিদা। বিশ্বের সর্বাধুনিক প্রযুক্তি ও যন্ত্রাংশের সমন্বয়ে নিজস্ব কারখানায় উচ্চমানের ফ্রিজ উৎপাদন করে সাশ্রয়ী মূল্যে তা ক্রেতাদের কাছে পৌঁছে দেয়ায় এখন গ্রাহক চাহিদার শীর্ষে রয়েছে ওয়ালটন। প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে আরো জানানো হয়, রোজার ঈদের পরপরই ওয়ালটন কারখানায় ফ্রিজের উৎপাদন বাড়ানো হয়েছে। প্রতিদিন তৈরি হচ্ছে ছয় থেকে সাত হাজার ফ্রিজ। প্লাজা ও পরিবেশকদের কাছে কারখানা থেকে ২৪ ঘণ্টা ফ্রিজ ডেলিভারি দেওয়া হচ্ছে। সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে প্রস্তুত রাখা হয়েছে পর্যাপ্ত যানবাহন। কারখানার পাশাপাশি প্রতিটি বিক্রয়কেন্দ্রকে ঘিরে গড়ে তোলা হয়েছে প্রয়োজনীয় মজুদ। যাতে আকস্মিক চাহিদা বৃদ্ধিতেও সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা যায়। ওয়ালটন ফ্রিজে ইন্টেলিজেন্ট ইনভার্টার প্রযুক্তির কম্প্রেসার ব্যবহার করায় বিদ্যুৎ সাশ্রয় হচ্ছে প্রায় ৫০ শতাংশ। পাশাপাশি, বিশ্ব স্বীকৃত সম্পূর্ণ পরিবেশবান্ধব আর ৬০০এ রেফ্রিজারেন্ট গ্যাসের ব্যবহার প্রায় ১০ শতাংশ বিদ্যুৎ সাশ্রয় করছে। এ ছাড়া, ফ্রিজের অভ্যন্তরে এলইডি বাতির ব্যবহারেও সাশ্রয় হচ্ছে বিদ্যুতের। যার স্বীকৃতিস্বরূপ ওয়ালটন ফ্রিজ পেয়েছে বিএসটিআইর সর্বোচ্চ এনার্জি রেটিং ‘ফাইভ স্টার’ সনদ। রয়েছে আইএসও সনদও। আর এসব কারণেই গ্রাহকদের পছন্দের শীর্ষে রয়েছে বাংলাদেশি এই ব্র্যান্ড।
ওয়ালটনের প্রকৌশলীরা জানান, বাংলাদেশের জন্য ৯২ শতাংশ আর্দ্রতা এবং ৪৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় স্বাস্থ্যসম্মত খাবার সংরক্ষণের নিশ্চয়তা দিচ্ছে ওয়ালটন ফ্রিজ। বাংলাদেশ অ্যাক্রিডিটেশন বোর্ড স্বীকৃত ফ্রিজ ও এসির মান পরীক্ষায় দেশের একমাত্র টেস্টিং ল্যাব নাসদাৎ ইউটিএস ল্যাব থেকে মান যাচাই করে বাজারজাত করা হচ্ছে ওয়ালটন ফ্রিজ। মান নিয়ন্ত্রণে নেয়া হয়েছে জিরো টলারেন্স নীতি। ওয়ালটন শুধু বাংলাদেশের আবহাওয়া অনুযায়ীই নয়; বিভিন্ন দেশের স্থানীয় আবহাওয়া উপযোগী ফ্রিজ উৎপাদন ও রপ্তানি করছে। তাদের মতে, বিদেশ থেকে আমদানিকৃত ফ্রিজ এ দেশের আবহাওয়া অনুযায়ী প্রস্তুত করা হচ্ছে কি না তা ক্রেতাদের যাচাই-বাছাই করা উচিত।
প্লাজা সেলস ও ডেভেলপমেন্ট বিভাগের নির্বাহী পরিচালক এবং বিপণন বিভাগের প্রধান সমন্বয়ক ইভা রিজওয়ানা বলেন, ‘কোরবানির ঈদের আগে ফ্রিজের ব্যাপক চাহিদা দেখা যায়। সে জন্য রোজার পরপরই উৎপাদন থেকে শুরু করে বিপণন পরিকল্পনা তৈরি করেছি। আশা করছি, ঈদকে ঘিরে অভ্যন্তরীণ বাজারে ফ্রিজের যে বাড়তি চাহিদা তৈরি হবে, তা ওয়ালটন মেটাতে সক্ষম হবে।’
ওয়ালটনের নির্বাহী পরিচালক ও বিপণন বিভাগের প্রধান এমদাদুল হক সরকার বলেন, লক্ষ্যমাত্রা পূরণের ব্যাপারে তাঁরা আশাবাদী। তাঁর মতে, ওয়ালটনের প্রতি ভোক্তাদের আস্থা বেড়েছে। নির্ভরতা বেড়েছে। ক্রেতাদের বিশ্বাস জন্মেছে, আমদানি করা ফ্রিজের তুলনায় দেশে তৈরি ওয়ালটন ফ্রিজ অনেক উচ্চমানের, দামেও সাশ্রয়ী। তার ধারণা, সামনের দিনগুলোতে ওয়ালটন ফ্রিজের চাহিদা আরো বাড়বে। তিনি জানান, ওয়ালটনের গøাস ডোর, ইনভার্টার প্রযুক্তির নন-ফ্রস্ট ও ফিফটি-ফিফটি মডেলের বড় ডিপযুক্ত ফ্রিজের চাহিদা ব্যাপক বেড়েছে। সেই সঙ্গে চাহিদা ও বিক্রি বেড়েছে ওয়ালটন ডিপ ফ্রিজের।
এবার ঈদে ফ্রস্ট, নো ফ্রস্ট এবং ডিপ ফ্রিজ বিক্রির ব্যাপক প্রস্তুতি নিয়েছে দেশীয় ব্র্যান্ড মার্সেল। ঈদ উপলক্ষে নতুন মডেলের বুম বক্স এলইডি টিভি বাজারে ছেড়েছে তারা। এসেছে আরো ৪ মডেলের নতুন এলইডি টিভি, চার মডেলের ফ্রিজ। মার্সেল ক্রেতাদের জন্য নিয়ে এসেছে নতুন মডেলের হোম এবং ইলেকট্রিক্যাল এ্যাপ্লায়েন্সেস। তাদের টার্গেট গত বছরের কোরবানির ঈদের তুলনায় এবার ৫০ শতাংশ বেশি পণ্য বিক্রির। ঈদুল আজহাকে কেন্দ্র করে সারাদেশে মার্সেল পণ্যের চাহিদা ও বিক্রি বেড়ে গেছে। ঈদ উপলক্ষে সাশ্রয়ী মূল্যের ও আকর্ষণীয় নতুন মডেলের রেফ্রিজারেটর, ডিপ ফ্রিজ, এলইডি টেলিভিশন, এলইডি লাইট ও বাল্ব, সুইচ-সকেট, ওয়াটার পিউরিফায়ার, বেøন্ডার, গ্যাস স্টোভ, ইন্ডাকশন কুকারসহ অন্যান্য হোম ও কিচেন এ্যাপ্লায়েন্সেস বাজারে ছাড়ায় মার্সেলের বিক্রি বেড়েছে ব্যাপকহারে। গত বছরের আগস্ট মাসের তুলনায় চলতি আগস্টের প্রথম ২০ দিনেই প্রায় ৪০ শতাংশ বেশি বিক্রি হয়েছে।
সারা দেশে সিঙ্গারের যেকোনো শোরুম বা ডিলারের কাছ থেকে ফ্রিজ কিনলে ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত ছাড় দেয়া হবে। এছাড়া সিঙ্গার ফার্নিচারের বেডরুম সেট পাওয়া যাবে ৩০ হাজার টাকায়। কিচেন অ্যাপ্লায়েন্সসহ নানা পণ্যেও ছাড় দেয়া হবে। ১০ হাজার টাকা ডাউনপেমেন্টে এয়ার কন্ডিশনার মিলবে। সিঙ্গার ৩২ ইঞ্চি এলইডি টিভির সঙ্গে একটি টেবিল ফ্যান ফ্রি দেয়া হবে। আর সোফা সেটের সঙ্গে থাকছে ফ্রি সেন্টার টেবিল। এছাড়াও নির্ধারিত পণ্য ক্রয়ে কোনো সুদ ছাড়া ছয় মাস এবং সহজ কিস্তিতে ১৫ মাস পর্যন্ত মূল্য পরিশোধ করার সুযোগ দেবে সিঙ্গার। বিভিন্ন ব্যাংকের ক্রেডিট কার্ডে সুদ ছাড়া ১২ মাস পর্যন্ত মূল্য পরিশোধ করার সুযোগ দেয়া হবে। এই বিশেষ অফার ঈদের দিন পর্যন্ত চলবে।
আসন্ন ঈদ উপলক্ষে পণ্য বেচাকেনার ক্ষেত্রে বিশেষ ছাড় দিয়েছেন ব্যবসায়ীরা। বিশেষ করে বড় বড় মার্কেটগুলোতে বেচাকেনার ক্ষেত্রে ছাড়ের পাশাপাশি চলছে বিশেষ উপহার দেয়ার লোভনীয় অফার। এ ছাড়া লটারির ব্যবস্থা তো আছেই। ক্রেতারা পণ্য কেনার পর দোকান থেকে যে রশিদ সরবরাহ করা হয় তার একটি অংশ মার্কেটের নিচে রাখা বাক্সে ফেলতে হবে। ঈদের আগের দিন এই কুপনের অংশ নিয়ে লটারির আয়োজন করা হবে। এতে বিজয়ী ক্রেতা পাবেন গাড়ি, ফ্রিজ, টিভিসহ নানা ধরনের উপহার সামগ্রী। বিশেষ করে ক্রেতা আকর্ষণের জন্য ব্যবসায়ীরা এসব উদ্যোগ নিচ্ছেন। রাজধানীর বিভিন্ন মার্কেট যেমন- বসুন্ধরা সিটি, ইস্টার্ন প্লাজা, যমুনা ফিউচার পার্ক, মোতালের প্লাজা, টোকিও প্লাজায় লটারির আয়োজন করা হয়েছে। এ ছাড়া এলিফেন্ট রোড, নিউ মার্কেট, গাউছিয়া মার্কেট, মিরপুর রোড, রোড ১০ নম্বর মার্কেটসহ বিভিন্ন মার্কেটে ব্যবসায়ীরা বিশেষ ছাড় দিয়ে পণ্য বিক্রি করছেন।
নিউ এলিফেন্ট রোডে পাঞ্জাবির দোকান বোম্বে সেন্টার দেশি বিদেশি সব পাঞ্জাবির ওপর ২০ থেকে ৩০ শতাংশ ছাড় দিচ্ছে। বোম্বে সেন্টারের স্বত্বাধিকারী শহীদ উল্লাহ বলেন, দেশি পাঞ্জাবির পাশাপাশি উন্নতমানের ভারতীয় পাঞ্জাবি রয়েছে তার দোকানে। কম দামে বেশি বিক্রি করার জন্য এবার ছাড় দিয়েছেন। এতে ক্রেতাদের ভিড়ও বেড়েছে। একই এলাকার ক্রিসেন্ট লেদার এবার কিস্তিতে পণ্য বিক্রি করছে। এতে কোনো সুদ নিচ্ছে না। এ ছাড়া বিভিন্ন পণ্যে ছাড়ের ব্যবস্থা রয়েছে ২০ থেকে ৩০ শতাংশ। ইতালিয়ান ব্র্যান্ড লোটো তাদের বিভিন্ন ধরনের পণ্যে বিশেষ ছাড়ে নতুন মূল্য তালিকা সংযোজন করেছে। ফলে ক্রেতারা আগের চেয়ে কম দামে তাদের পণ্য কিনতে পারবেন। এখানকার বিভিন্ন জুতার দোকানে বিশেষ ছাড়ের ব্যবস্থা রয়েছে। মিরপুর রোডের বিভিন্ন দোকানে পোশাক বিক্রির ক্ষেত্রে বিশেষ ছাড় দেয়া হচ্ছে।
মোজার দোকান শকস বিভিন্ন পণ্যে ১৫ থেকে ২০ শতাংশ ছাড় দিচ্ছে। আলিফ ফ্যাশন হাউস মেয়েদের পোশাকে ২০ থেকে ২৫ শতাংশ ছাড় দিয়ে নতুন মূল্য তালিকা সংযোজন করেছে।
শাহবাগের আজিজ সুপার মার্কেটে চলছে ছাড়ের ছড়াছড়ি। মার্কেটের নিচতলায় এক্সপো ফ্যাশন ওয়্যারসে ঈদ উপলক্ষে সব পণ্যে ২০ শতাংশ ছাড় দিচ্ছে। ছাড়ের পর তারা শার্ট বিক্রি করছে ৮৫০ থেকে ১ হাজার ৩৫০ টাকায়, টি-শার্ট ২৫০ থেকে ১ হাজার ২৫০ টাকায়, পাঞ্জাবি ৮৫০ টাকা থেকে ২ হাজার ২৫০ টাকায়, প্যান্ট ১ হাজার থেকে ১ হাজার ৪৫০ টাকায়। প্রতিষ্ঠানটির স্বত্বাধিকারী রাশেদুল ইসলাম বলেন, ব্র্যান্ডের পরিচিতি বাড়ানোর জন্য ঈদ উপলক্ষে ছাড়ের ব্যবস্থা করেছেন। ভোক্তা সন্তুষ্টির মাধ্যমে নিজেদের ব্যবসায়ের প্রসার করাই তার মূল লক্ষ্য। ব্রাইটনেসে সব পণ্যে ১০ শতাংশ ছাড় দিচ্ছে। তবে এখন তাদের কোনো ছাড় নেই। বুশরা কলার টি-শার্টের ওপর ২০০ টাকা ছাড় দিচ্ছে। মার্কেটের দ্বিতীয় তলায় বি টু উইন ঈদ উপলক্ষে টি-শার্টের ওপর ১৮০ থেকে ২৫০ টাকা এবং পলো টি-শার্টের ওপর ২০০ থেকে ৩০০ টাকা ছাড় দিচ্ছে। সাতকাহনে থ্রিপিসের ওপর মিলছে ১৫ শতাংশ ছাড়। মার্কেটের তৃতীয়তলায় মুভ দোকানে নির্দিষ্ট কিছু পণ্যের ওপর মিলছে ৫০ শতাংশ ছাড়। বিসর্গ দোকানে কিছু টপস, পাঞ্জাবি এবং শাড়ির ওপর ৫০ থেকে ৬০ শতাংশ ছাড় রয়েছে। হাতছানিতে কিছু নির্দিষ্ট ডিজাইনের পাঞ্জাবির ওপর ৪০ শতাংশ ছাড় রয়েছে। ধানমন্ডি হকার্স মার্কেটের বিসমিল্লাহ শাড়িজের ব্যবসায় পরিবর্তন উপলক্ষে সব পণ্যের ওপর ৪০ শতাংশ ছাড় দিচ্ছে। নিউ সুপার মার্কেটের দোতলার ‘বি’ বøকের আল মদিনা গার্মেন্টসে সব ধরনের শার্টে ২০০ থেকে ৩০০ টাকা ছাড় দিয়ে বিক্রি করছে। একই মার্কেটের নিচতলায় নিউ ফ্যান্সি হাউস ব্যবসায় পরিবর্তনের জন্য বিশাল ছাড় দিচ্ছে। তারা প্যান্ট পিস ৪০ থেকে ৫০ শতাংশ ছাড়ে বিক্রি করছে ৩৫০ থেকে ৫০০ টাকায়। কিছু কিনলে থাকছে ২০ শতাংশ ক্যাশব্যাক। প্রাণ আরএফএল গ্রুপের টপার প্রেসার কুকার দিচ্ছে সব পণ্যের ওপর ৫ শতাংশ ছাড়। ফিট এলিগেন্স টেইলার্স তাদের মিরপুর শোরুমের উদ্বোধন উপলক্ষে দিচ্ছে ২০ শতাংশ ছাড়। এলোয়া অ্যালুমিনিয়াম ফার্নিচার তাদের সব পণ্যে ২০ শতাংশ পর্যন্ত ছাড় দিচ্ছে। পোশাকের পাশাপাশি অন্যান্য পণ্যেও রয়েছে বিশেষ ছাড়। এর মধ্যে হাইয়ার ইন্সপায়ার্ড লিভিং দিচ্ছে একটি কিনলে একটি পণ্য একদম ফ্রি। এ ছাড়া বিকাশে পেমেন্ট ঈদ উপলক্ষে লোনো থেকে ১ হাজার টাকার পণ্য কিনলেই ক্রেতাদের থাকছে জন্য থাকছে গাড়ি, ফ্রিজ, ওয়াশিং মেশিন, এলইডি টিভি, স্মার্টফোনসহ আরও অনেক পুরস্কার জিতে নেয়ার সুযোগ। এ জন্য রয়েছে লটারির ব্যবস্থা। ঈদ উপলক্ষে সিঙ্গার ফার্নিচার সোফা সেটের সঙ্গে সেন্টার টেবিল ফ্রি দিচ্ছে। স্যামসাং টিভি অথবা যে কোনো হোম অ্যাপ্লায়েন্স পণ্য কিনলে থাকছে নগদ ক্যাশব্যাক। এ ছাড়া বান্ডেল গিফট, মালদ্বীপ ট্রিপ অথবা ব্র্যান্ডনিউ গাড়ি জিতে নেয়ার সুযোগ থাকছেই। অটবি তাদের ফার্নিচারে দিচ্ছে ২৭ শতাংশ পর্যন্ত ছাড়। তাদের সব শোরুমে ঈদের আগের রাত পর্যন্ত এই ছাড় পাওয়া যাবে। ঈদ এবং ক্রিকেট খেলা উপলক্ষে ৩২ এবং ৪০ ইঞ্চি সনি ব্রাভিয়া টিভির সঙ্গে থাকছে ১ হাজার ১০০ টাকার ফ্রি গিফট। সিঙ্গার এলইডি সব পণ্যে দিচ্ছে ৯০০ থেকে ৬ হাজার টাকা পর্যন্ত ছাড়। এ ছাড়া ৩২ ইঞ্চি এলইডি টিভির সঙ্গে টেবিল ফ্যান ফ্রি।