এতো সিনেমা পাগল দর্শক আর কোনো দেশে নাই-অমিতাভ রেজা

এতো সিনেমা পাগল দর্শক আর কোনো দেশে নাই-অমিতাভ রেজা

817
SHARE

পরিচালককে প্রায়ই ফোন দিত ছেলেটি। বলতো ভাইয়া আমাকে আপনার সিনেমার কয়েকটি টিকেট দিবেন? কোনো দর্শক সিনেমার টিকেটের জন্য পরিচালককে ফোন দিলে তার রেগে যাওয়ার কথা। কিন্তু পরিচালক না রেগে বিনয়ের সঙ্গে বললেন, আমার কাছেতো ভাই টিকেট থাকে না। টিকেট বিক্রি হয় সিনেমা হলে। এবার ছেলেটি বলে উঠলো- টিকেট তো কোথাও পাচ্ছি না। সিনেপ্লেক্সের একটি টিকেট সংগ্রহ করে পরিচালক ফোন দিয়ে ছেলেটিকে বললেন, তোমার জন্য একটি টিকেট সিনেপ্লেক্স কাউন্টারে রাখা আছে তুমি নাম বলে সংগ্রহ করে সিনেমা দেখে নিও। ছেলেটি এবার আবদার করে বলল, ভাইয়া আমাকে দুটি টিকেট দিতে হবে। দুইজনে মিলে সিনেমাটি দেখব। পরিচালক এবার রেগে গেলেন। বললেন এতো অন্যায় আবদার। ছেলেটি ক্ষমা প্রার্থনা করে বলল, ভাইয়া আমি অন্ধ তাই ভাইয়ার সঙ্গে যাব। আমিতো চোখে দেখি না শুধু সংলাপগুলো শুনব আর ভাই দেখে আমাকে বলবে কে কেমন অভিনয় করল। ছেলেটির কথা শুনে আয়নাবাজির পরিচালক অমিতাভ রেজা কিছুক্ষণের জন্য স্তব্ধ হয়ে গিয়েছিলেন। পরে শুধু বললেন, তুমি ভাইয়াকে নিয়ে আসো সব ব্যবস্থা হবে। এইতো সেদিন সন্ধ্যায় আয়নাবাজির পরিচালক, জনপ্রিয় বিজ্ঞাপনচিত্র ও নাট্যনির্মাতা অমিতাভ রেজা উপরোক্ত ঘটনাটি বলছিলেন আনন্দ আলোর কাছে। আরো বলেছেন আয়নাবাজির নানান বিষয় নিয়ে এবং আগামী ছবি প্রসঙ্গে। লিখেছেন জাকীর হাসান

আনন্দ আলো: আপনার প্রথম সিনেমা আয়নাবাজি নিয়ে প্রত্যাশা যা ছিল তা কি পূরণ হয়েছে?

অমিতাভ রেজা: আয়নাবাজি নিয়ে আমার প্রত্যাশা একেবারে আকাশ ছোঁয়া ছিল না। চেয়েছিলাম সুনির্মিত ভালো একটি সিনেমা হবে। দর্শক দলবেঁধে সিনেমা হলে বসে ছবিটি দেখবে। আনন্দ করবে, মজা করবে। ছবির চরিত্র, গল্প তাদের ভাবাবে। হল থেকে দর্শক হাসিমুখে বের হয়ে গল্প করবে ছবিটি নিয়ে। সেই দিক থেকে আমার প্রত্যাশা হয়তো পুরণ হয়েছে। তবে আমার একানৱ কিছু প্রত্যাশা ছিল তা পূরণ হয়নি।

আনন্দ আলো: দর্শকের প্রত্যাশা কি পূরণ হয়েছে?

অমিতাভ রেজা: দর্শকের জোয়ার দেখেতো মনে হচ্ছে তাদের প্রত্যাশা পূরণ করতে পেরেছে আয়নাবাজি। তা না হলে ৪ সপ্তাহে গড়ে ৮০% দর্শক আয়নাবাজি দেখলো কেন? এক সিনেপ্লেক্সেই ৯৭% দর্শক আয়নাবাজি দেখেছে। ঢাকা ও ঢাকার বাইরে ছবিটি নিয়ে আলাদা উচ্ছ্বাস দেখেছি। মজার ব্যাপার হলো- যেখানেই ছবিটি চলেছে এবং চলছে সেখানেই হাউজফুল হচ্ছে।

আনন্দ আলো: আয়নাবাজির গল্প নির্বাচন করার সময় কোন বিষয়টির উপর গুরুত্ব দিয়েছিলেন?

অমিতাভ রেজা: আমি শুরুতেই চেয়েছি অদেখা, না শোনা অর্থাৎ কেউ দেখেনি কেউ শুনেনি এমন একটি গল্প নিয়ে ছবি নির্মাণের। গল্পটি হবে মৌলিক। সেখানে আমি, আমরা, আমাদের বাঙালি সমাজ, মানুষ সবাই থাকবে। সহজ সরল একটি স্ক্রীন প্লে হবে। সিনেমা হলে বসে দর্শক গল্পটি নিজের মধ্যে ধারণ করবে, নানান প্রশ্ন করবে, উত্তর খোঁজার চেষ্টা করবে। সিনেমায়তো এ ধরনের একটি গল্প থাকাই জরুরি। দর্শক যদি অদেখা একটি গল্পই না পায় সিনেমায় তাহলে কি দেখতে বসে থাকবে সিনেমা হলে। আমি শুরুতে তাই একটি ভালো গল্প নির্বাচনের দিকে বেশি মনোযোগী ছিলাম। একটি জরুরি বিষয় বলি, এই গল্প নির্বাচন করার জন্য আমি দীর্ঘদিন কাজ করেছি। গল্পটিকে পরিবর্তন পরিমার্জন করতে হয়েছে। তারপর স্ক্রীন প্লেতে গিয়েছি।

আনন্দ আলো: ইদানিংকালে আমাদের দেশের ছবি মুক্তির দুদিনের পরই শোনা যায় ছবি দর্শক টানতে পারছে না। মূলধন ফিরে আসছে না। প্রযোজক ব্যবসায়িকভাবে মার খাচ্ছে ইত্যাদি। এক্ষেত্রে দুর্বলতা কোথায়?

aynabajiঅমিতাভ রেজা: আমরা আসলে আমাদের নিজেদের গল্প সিনেমায় বলতে পারছি না বলেই বর্তমান সময়ের ছবির এই অবস্থা। সিনেমায় আমাদের নিজেদের গল্প বলা উচিত। এবং সেটা হতে হবে একেবারে মৌলিক একটা গল্প। আমাদেরতো গল্পের অভাব নেই। আমাদের আছে সমৃদ্ধ সাহিত্য। বিশাল এই গল্প ভাণ্ডার শেষ হবার নয়। শুধু পছন্দ করে একটু ঘষেমেজে উপস্থাপন করলেই চমৎকার কাজ হবে। আমরা তা না করে তামিল তেলেগু, হিন্দির দেখা সিনেমার গল্পগুলো জোড়াতালি দিয়ে একটা কিছু নির্মাণের ব্যর্থ চেষ্টা করে যাচ্ছি। এভাবে আর যাই হোক সিনেমা হবে না। ভালো সিনেমার পূর্ব শর্তই হচ্ছে একটি গোছানো চমৎকার গল্প যা দর্শক আগে দেখেনি। আমাদের সিনেমা শিল্পে গল্প নির্বাচন, গল্প বলা বা স্ক্রিন প্লেই হচ্ছে সবচেয়ে বড় দুর্বলতা। এটা একেবারে ক্ষমাহীন একটা দুর্বলতা। এই দুর্বলতা অবশ্য এ সময়ের তরুণ নির্মাতারা কাটিয়ে উঠার চেষ্টা করছে। ইতোমধ্যে অনেক তরুণ ভালো কিছু ছবি নির্মাণ করে জানান দিয়েছে তারা আসছে। এভাবেই একদিন আমাদের সিনেমা ইন্ডাস্ট্রি দাঁড়াবে।

আনন্দ আলো: অনেকের ধারনা সিনেমা দর্শক প্রিয়তা পায় জনপ্রিয় তারকা, ভালো গল্প ও সুনির্মাণের কারণে। আয়নাবাজি দর্শকপ্রিয়তা পেয়েছে কোন্‌ কারণে?

অমিতাভ রেজা: এটা সম্পূর্ণ ভুল ধারণা যে, জনপ্রিয় তারকা থাকলে সিনেমা চলে। তবে ভালো গল্প ও সুনির্মাণের জন্য ছবি অবশ্যই ভালো চলে। আয়নাবাজি দর্শকপ্রিয়তা পেয়েছে এর প্রতিটি শাখায় যত্নের কারণে। আপনি একটু নজর দিলেই বুঝবেন স্ক্রিপ্ট লেখা, সঙ্গীত পরিচালনা, ফটোগ্রাফি, স্ক্রীন প্লে, মিউজিক, কস্টিউম, লোকেশন কোনো জায়গায় আমরা ছাড় দেইনি। প্রতিটি শাখায় সেরা টেকনিশিয়ান কাজ করেছেন। একটা ভালো গ্রহণযোগ্য সিনেমার জন্য যা খুবই জরুরি। কিন্তু অপ্রীতিকর হলেও বলতে হয় যে, বেশির ভাগ ছবির ক্ষেত্রে এই ধরনের সাপোর্ট দেয়া হয় না। দেখা যায় একজন পরিচালক, ছবির গল্প, কনসেপ্ট ও সংলাপ লিখছেন। কোনো কোনো ক্ষেত্রে সঙ্গীত পরিচালনাও করছেন। এভাবে একজনের কাজ আরেকজন করলেতো ভালো সিনেমা হবে না। যার যে কাজ তাকে দিয়েই করাতে হবে। কোনো ধরনের ছাড় দেয়া চলবে না। তাছাড়া ছবি নির্মাণে বাজেটও একটা বড় সমস্যা। অনেক সময় দেখা যায় খরচের ব্যাপারে প্রযোজক টালবাহানা করেন। ছবি মুক্তির আগে লাভের হিসাব নিকাষ কষেন। তাই বলছি ভালো সিনেমা নির্মাণের ক্ষেত্রে ব্যক্তি বিশেষ নয় প্রতিষ্ঠানগুলোকে এগিয়ে আসতে হবে। প্রতিষ্ঠান থেকে ছবি নির্মিত হতে হবে। আয়নাবাজি নির্মাণের কথাই ধরা যাক ছবিটি বড় একটি প্রতিষ্ঠান থেকে নির্মিত হয়েছে। নির্মাণে যেখানে যা প্রয়োজন সেখানে তাই খরচ করা হয়েছে। আসলে সিনেমা নির্মাণে খরচও একটা বড় ব্যাপার।

আনন্দ আলো: ছবি নির্মাণের পর কোনো ত্রুটি কিংবা দুর্বলতা কি খুঁজে পেয়েছেন?

অমিতাভ রেজা: আয়নাবাজি আমার প্রথম ছবি। নির্মাণ করতে গিয়ে কোনো সমস্যা না হলেও ভুলত্রুটিতো হয়েছেই। সেগুলো নিজের অজানেৱই হয়েছে। ছবিটি স্ক্রিনে দেখার পর সেগুলো আমার চোখে পড়েছে। হয়তো পরবর্তী ছবিতে এই ত্রুটি আর হবে না।

আনন্দ আলো: ছবির কোন্‌ চরিত্রটি আপনাকে ভাবায় বা নিজের পছন্দের।

অমিতাভ রেজা: নিজের ছবির প্রতিটি চরিত্রই আমার আপন ও পছন্দের। তবে প্রধান চরিত্র আয়না আমাকে ভাবায়। ছবিতে আয়নার প্রতিটি কাজ দর্শককেও ভাবিয়েছে। তাই আয়নাকে পছন্দ না করে থাকা যায় না।

আনন্দ আলো: আমাদের চলচ্চিত্র ব্যবসা আর আগের মতো নেই। বলা যায় খাদের কিনারায় চলে গেছে। দর্শক সিনেমা হলে আসে না। হলের অবস্থা তথৈবচ। এই অবস্থা মেরামত করার উপায় কি?

অমিতাভ রেজা: আমি বারবারই বলছি সিনেমায় সৎ গল্প বলতে হবে। আমাদের পরিবার, সমাজ ও বাংলাদেশের মানুষের গল্প সিনেমায় আনতে হবে। তা না হলে দর্শক হলে আসবে না। দর্শকের চাহিদার মূল্য না দিয়ে দর্শক কেমন গল্প পছন্দ করে, কি দেখতে চায় তা যাচাই বাছাই না করে অন্ধের মতো ছবি নির্মাণ করলেতো হবে না। আমাদের দেশের সিনেমা দর্শক উন্মুখ হয়ে থাকে ভালো একটি ছবি হলে বসে দেখার জন্য, কিন্তু তাদের সেই আকাঙক্ষা কী আমরা পূরণ করতে পারছি? আমরা আমাদের মতো গল্প বলার চেষ্টা করছি এবং জোর করে দর্শককে হলে আনার চেষ্টা করছি। একটা সময় আমাদের পরিবারের আনন্দময় সময় কাটতো দলবেঁধে হলে বসে সিনেমা দেখে। পুরনো সেই কালচার এখনো আছে কিন্তু একদিকে যেমন আমরা প্রত্যাশিত গল্পের ও নির্মাণের ছবি দিতে পারছি না অন্যদিকে সিনেমা হলের পরিবেশও সুন্দর, সুস্থ স্বাভাবিক রাখতে পারছি না। আমি দর্শকদের সঙ্গে হলে বসে আয়নাবাজি দেখেছি। কি দারুণ মনোযোগ দিয়ে তারা ছবিটি উপভোগ করছে। কেউ কেউ কোনো দৃশ্য নিয়ে পাশের জনের সঙ্গে কথা বলছে। ভালো লাগছে তারা হাততালি দিচ্ছে। খারাপ লাগলে ইস আহা করছে। আসলে আমাদের এখন প্রস্তুতি হবে ভালো ছবি নির্মাণ করে হল টিকিয়ে রাখা। সিনেমা শুধু ব্যবসা করার জন্য লগ্নি না করে প্রযোজনা করতে হবে। আমাদের এখানে একজন প্রযোজক সবকিছু করেন কিন্তু প্রযোজকের তো সব কিছু করা ঠিকনয় সার্বিক ব্যবস্থাপনা একটি প্রতিষ্ঠান করবে। একজন প্রযোজকের নেতৃত্বে পুরো টিম কাজ করবে। ভালো ছবি নির্মাণে তরুণদের ট্রাস্ট করতে হবে। তাদের প্রতি ভরসা রাখতে হবে।

আনন্দ আলো: এরই মধ্যে অনেক তরুণ নির্মাতা ছবি করেছেন কিন্তু তাদের বেশির ভাগ ছবিতো দর্শক আকৃষ্ট করতে পারছে না?

aynabaji-1অমিতাভ রেজা: অধৈর্য হলে চলবে না। তরুণদের সময় দিতে হবে। গত কয়েক বছরে আমাদের তরুণদের নির্মিত বেশ কিছু সিনেমা শুধু দেশে নয় আনৱর্জাতিক অঙ্গনেও প্রশংসিত হয়েছে। ইমপ্রেস প্রযোজিত বেশ কয়েকটি ছবি আনৱর্জাতিক পুরস্কার পেয়েছে। তাছাড়া তৌকীর আহমেদ, মোস্তফা সরয়ার ফারুকী, গিয়াস উদ্দিন সেলিম ছবি নির্মাণ করছেন। তাদের মতো নির্ভরযোগ্য নির্মাতার ছবি যেমন বিগত দিনে দর্শকপ্রিয়তা পেয়েছে, আগামীতেও পাবে। শেষ কথা সিনেমা নিয়ে হতাশার কিছু নেই বিশেষ করে তরুণদের ব্যাপারে।

আনন্দ আলো: সিনেমা হলে দর্শক প্রতিক্রিয়া কেমন দেখছেন?

অমিতাভ রেজা: বাংলাদেশের মতো এত সিনেমা পাগল ও ভালো দর্শক পৃথিবীর আর কোনো দেশে আছে কি না আমার জানা নেই। হলের অব্যবস্থাপনা, রাস্তাঘাটে অসহনীয় যানজট উপেক্ষা করে সিনেমা দর্শকরা হলে বসে ছবি দেখছে। ঘামে গরমে টেকা যায় না। তার মধ্যে বসে ছবি দেখে আনন্দ করছে। এরচেয়ে চমৎকার দৃশ্য আর হয় না। এবং আমি এই মায়াবী সিনেমা অনৱপ্রাণ দর্শকদের জন্য নিয়মিত ছবি নির্মাণ করে যাব। আর একটি গর্ব করার বিষয় বলি। আয়নাবাজি রিলিজ হওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছি, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে টিজার ছাড়া হয়েছে। ফেসবুকে নানান ধরনের প্রচার প্রচারণা চালাচ্ছি। এর মধ্যে দেখি কিছু তরুণ নিজেরাই আয়নাবাজির নামে ফেসবুকে পেজ খুলে ছবির প্রচার করছে। তাদের সেই প্রচারণার ধরন ছিল অসাধারণ। আমি তাদের কাউকে চিনি না। তারা কেউ আমার সঙ্গে দেখা করতেও চায়নি। এই বিষয়টি আমাকে এতটা মুগ্ধ করেছে। সেটা কীভাবে এক্সপ্রেস করবো বুঝতে পারছি না। তো যে দেশের তরুণরা ভালো সিনেমার জন্য এতটা ভালোবাসা ও প্রেম দেখায় তাদের আপনি কি বলবেন? কি বিশেষণে অভিহিত করবেন।

আনন্দ আলো: ভারতে নাকি আয়নাবাজি রিলিজ হচ্ছে?

অমিতাভ রেজা: আগামী মাসে ভারতের কলকাতায় ছবিটি মুক্তি পাচ্ছে। সেই সঙ্গে ভারতের গোয়ায় অনুষ্ঠিত ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে এবং জার্মানির একটি ফেস্টিভ্যালে আয়নাবাজি অংশ নেবে।

আনন্দ আলো: আপনার পরবর্তী ছবি কবে থেকে শুরু হচ্ছে?

অমিতাভ রেজা: পরবর্তী ছবির পেপারওয়ার্ক শুরু হয়েছে। গল্পের একটি ধারণাপত্র আমরা প্রস্তুত করেছি। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে জানুয়ারি বা ফেব্রুয়ারিতে ছবির কাজ শুরু হবে। পরবর্তী ছবিতে আয়নাবাজির অভিনেতা অভিনেত্রী থাকবে কি না এই প্রশ্ন করছেন কেউ কেউ। আমি তাদের বলেছি যদি গল্প ডিমান্ড করে তবে তারা থাকবেন এজন্য স্ক্রিন টেস্ট দিতে হবে। যেমন- আয়নাবাজিতে যারা অভিনয় করেছেন তাদের প্রত্যেকের স্ক্রিন টেস্ট দিতে হয়েছে।