Home আরোও বিভাগ টিভি গাইড এটাই এই জীবনের বড় সার্থকতা

এটাই এই জীবনের বড় সার্থকতা

SHARE
Momo

অভিনেত্রী জাকিয়া বারী মম বর্তমানে খন্ড নাটক, টেলিছবি ও ধারাবাহিকে নিয়মিত অভিনয় করছেন। এ ছাড়া চলচ্চিত্রেও সরব রয়েছেন তিনি। অভিনয় ও সমসাময়িক নানা বিষয়ে কথা হলো তার সঙ্গে-

আনন্দ আলো: এখন কী নিয়ে ব্যস্ত?

মম: বর্তমানে ‘একদিন প্রজ্ঞার দিন’ ধারাবাহিকের শুটিং করেছি। নাটকটি নির্মাণ করছেন গৌতম কৈরী। এছাড়াও কিছু খন্ড নাটকের শুটিং নিয়ে ব্যস্ত আছি।

আনন্দ আলো: একদিন প্রজ্ঞার দিন নিয়ে বলবেন-

মম: একদিন প্রজ্ঞার দিন ধারাবাহিকে আমি নাম ভূমিকায় অভিনয় করছি। এতে দেখা যাবে- মফস্বল শহরের শিক্ষিতা মেয়ে প্রজ্ঞা। যার বাবা-মা বলতে কেউ নেই। প্রজ্ঞা বড় হয়েছে তার চাচার কাছে। চাচা মাসুম নামের এক বখাটে যুবকের সঙ্গে প্রজ্ঞার বিয়ে ঠিক করে ফেলে। এই কথা শোনার পর প্রজ্ঞা হতাশ হয়ে পড়ে। অনিচ্ছাসত্তে¡ও প্রজ্ঞাকে বিয়ের পিঁড়িতে বসতে হচ্ছে। কিন্তু ঘটনাক্রমে বিয়ের বেনারসি পরে প্রজ্ঞা ছুটে চলছে গ্রামের পথ ধরে শহরের রাস্তার দিকে। রাতের আঁধারে ছুটতে ছুটতে প্রজ্ঞা একটা থেমে থাকা ট্রাকে চেপে ভোরবেলা ঢাকায় পৌঁছায়। এরপর বিভিন্ন নাটকীয় ঘটনার মধ্য দিয়ে এগিয়ে যায় একদিন প্রজ্ঞার দিন ধারাবাহিকটির কাহিনী। নাটকটিতে আমি ছাড়াও আরো অভিনয় করেছেন শহীদুজ্জামান সেলিম, ইন্তেখাব দিনার, মুনিরা মিঠু, ইকবাল বাবু, হাসনাত রিপন প্রমুখ।

আনন্দ আলো: বড়পর্দার কী খবর?

মম: আমার কাছে বড়পর্দা বা ছোটপর্দা বলে কোনো বিষয় নেই। আমি একজন অভিনেত্রী দুই পর্দাতেই কাজ করতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করি। কিছুদিন আগে অরুণ চৌধুরী পরিচালিত প্রথম চলচ্চিত্র ইমপ্রেস টেলিফিল্মের ‘আলতাবাণু’তে নাম ভূমিকায় অভিনয় শেষ করলাম। এর ডাবিং এ অংশ নিয়েছিলাম। এ ছাড়া স¤প্রতি তানিম রহমান অংশুর ‘স্বপ্নবাড়ি’ চলচ্চিত্রের কাজ শেষ করেছি। দুটো ছবিতেই আমার বিপরীতে আছেন আনিসুর রহমান মিলন।

আনন্দ আলো: আলতাবানু ছবিটি নিয়ে বলবেন-

মম: আলতাবানু ছবিতে আমাকে আলতার ভূমিকায় দেখা যাবে। ছবিটি দর্শক এক বসাতেই উপভোগ করবেন। এক কথায় বলতে, এটি একটি মানসম্মত চলচ্চিত্র। ‘স্বপ্নবাড়ি’ও ঠিক তাই। দুটো চলচ্চিত্র নিয়ে আমি দারুণ আশাবাদী। আমি চেষ্টা করেছি, আমার চরিত্র যথাযথভাবে ফুটিয়ে তুলতে।

আনন্দ আলো: আপনার জীবনের অর্জন নিয়ে কী সন্তুষ্ট?

মম: দেখুন, আমি অভিনয়ের পথচলায় দীর্ঘ এক দশক পূর্ণ করেছি। দর্শকের কাছ থেকে আমি অগণিত ভালোবাসা পেয়েছি। এর চেয়ে বড় অর্জন ও প্রাপ্তি আর কিছুই হতে পারে না। এটাই এই জীবনের বড় সার্থকতা। এভাবে আমি আরও আজীবন কাজ করে যেতে চাই।

অপির প্রত্যাবর্তন

অভিনয়ে ফিরেছেন নন্দিত অভিনেত্রী অপি করিম। তিনি গুণী পরিচালক অমিতাভ রেজার একটি ওয়েব সিরিজে অভিনয় করেছেন। এ নিয়ে ফেসবুক দেয়ালে অপি করিমকে নিয়ে নানা মজার ছবি পোস্ট করেছেন অমিতাভ রেজা। সঙ্গে হ্যাশট্যাগ দিয়ে লিখেছেন ‘ঢাকা মেট্রো ডায়রিস’। অপি করিমকে নিয়ে দেশের উত্তরাঞ্চলের অমিতাভ রেজা ঘুরে বেড়িয়েছেন। আজ রাজশাহী তো কাল দিনাজপুরের প্রত্যন্ত অঞ্চলে গেছেন! এভাবে তাদের কেটে গেল প্রায় আট দিন। শুধু দু’জনে নন, অমিতাভ-অপির এই রহস্যময় সফরে আরও আছেন অনেকেই। এ প্রসঙ্গে এর বাইরে একেবারেই মুখ খুলছেন না অমিতাভ কিংবা তার সহযোদ্ধারা। রহস্য তৈরি করে অমিতাভ রেজা শুধু এটুকু বললেন, ‘একটা ওয়েব সিরিজের শুট করেছি। দিনাজপুরে চলেছে শুটিং। কিন্তু এর নাম, অপি করিমের চরিত্র অথবা কবে-কখন- কোথায় প্রচার হবে-সেগুলো এখনি বলছি না।’ তবে এটুকু অনুমেয়, অমিতাভ রেজার নির্মাণে এবং অপি করিমের অভিনয়ে প্রথম ওয়েব সিরিজ হতে যাচ্ছে এটি। যার সম্ভাব্য নাম ‘ঢাকা মেট্রো ডায়রিস’ কিংবা ‘ঢাকা মেট্রো’। আর এতে প্রধান চরিত্র হিসেবে অপি করিম অভিনয় করেছেন জয়গুন বিবি নামে। বাকিটা অমিতাভ রেজা আনুষ্ঠানিকভাবে জানাবেন শিগগিরই।

জি বাংলার রান্নাঘরে কেকা ফেরদৌসী

বিশিষ্ট রন্ধনশিল্পী কেকা ফেরদৌসীর রান্না দেখা গেল ভারতীয় বাংলা টিভি চ্যানেল জি বাংলার জনপ্রিয় রান্নার অনুষ্ঠান ‘রান্নাঘর’-এ। বিশ্বের প্রায় চল্লিশটি দেশে গিয়ে নিজের রেসিপি দিয়ে রান্না করে প্রশংসা নিয়ে এলেও কখনো পাশের দেশ ভারতের কোনো টেলিভিশন চ্যানেলে রান্নার অনুষ্ঠান করতে যাননি বাংলাদেশের প্রখ্যাত রন্ধনশিল্পী ও মিডিয়া ব্যক্তিত্ব কেকা ফেরদৌসী। তবে এবার কলকাতার জনপ্রিয় টেলিভিশন চ্যানেল জি বাংলার আমন্ত্রণ ফেলতে পারেননি তিনি। এবার অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন তিনি। সুদীপ্তা মুখার্জির উপস্থাপনায় ২৬ ডিসেম্বরের পর্বে দেখা যায় তাকে । প্রসঙ্গত, রান্নাকে শিল্পের পর্যায়ে নিয়ে যেতে গত পঁচিশ বছর ধরে টেলিভিশনে রান্নার অনুষ্ঠান করে আসছেন কেকা ফেরদৌসী। তার কারণে রান্নাবিষয়ক অনুষ্ঠানও মানুষের কাছে বিশেষ জনপ্রিয়তা পেয়েছে। শুধু টেলিভিশনে অনুষ্ঠান নয়, রান্নাকে জনপ্রিয় করে তুলতে তিনি এরইমধ্যে রান্নাবিষয়ক ১৪টি বইও লিখেছেন।