Home আরোও বিভাগ টিভি গাইড আবার তারা দু’জন

আবার তারা দু’জন

SHARE

এক বছর আগে দর্শকপ্রিয় অভিনেতা নাঈম ও অভিনেত্রী সোনিয়া হোসেইন এক সঙ্গে একটি নাটকে প্রথম অভিনয় করেছিলেন। এরপর বিভিন্ন উৎসব, বিশেষ দিবস পার হলেও একসঙ্গে আর নাটকে অভিনয় করা হয়ে উঠেনি তাদের। এক বছর পর আবার এক সঙ্গে অভিনয় করলেন। নাটকের নাম ‘ব্যাটসম্যান সিস্টার’। এটি রচনা ও পরিচালনা করেছেন আশিক মাহমুদ রনি। নাটকটিতে অভিনয় প্রসঙ্গে নাঈম বলেন, এই নাটকে আমি একটি ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট কোম্পানির প্রধানের চরিত্রে অভিনয় করেছি। গল্পটিতে আশিক তার নিজস্ব ভাবনা থেকে নতুনত্ব আনার চেষ্টা করেছেন। যে কারণে আমি আমার অভিনয়ে এবং গেটআপে ভিন্নতা আনার চেষ্টা করেছি। যথারীতি সোনিয়াও তার চরিত্রে ভালো অভিনয় করেছে। সব মিলিয়ে দারুণ একটি কাজ হয়েছে। আশাকরি দর্শক নাটকটি বেশ উপভোগ করবেন। নাটকটির নির্বাহী প্রযোজক ইমরান নূর রফি জামান। এই নাটকটি শিগগিরই একটি স্যাটেলাইট চ্যানেলে প্রচার হবে।

রান্না বিষয়ক রিয়েলিটি শো

দেশের সুপ্ত রন্ধনশিল্পী প্রতিভা অন্বেষণের লক্ষ্যে শুরু হয়েছে টিভি রিয়েলিটি শো ‘মিজান-মালয়েশিয়ান পাম অয়েল সেরা রন্ধনশিল্পী-২০১৬’ এর ধারণ কার্যক্রম। সম্প্রতি বিএফডিসির এটিএন বাংলা স্টুডিওতে শুরু হয় এ প্রতিযোগিতার গ্রুমিং রাউন্ড। অনুষ্ঠানে দেশের ৭টি বিভাগের নির্বাচিত ৪৯ জন প্রতিযোগী অংশগ্রহণ করেন। গ্রুমিং রাউন্ডে প্রতিযোগীদের প্রতিযোগিতা সংক্রান্ত নানা বিষয়ে ধারণা দেয়া হয়। এই ৪৯ জন প্রতিযোগীকে নিয়ে শুরু হয় মূল পর্বের ধারণ কার্যক্রম। অনুষ্ঠানটি প্রচার হচ্ছে প্রতি সোম ও মঙ্গলবার, রাত ৮.৪০ মিনিটে। মৌটুসী বিশ্বাস-এর উপস্থাপনায় অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেছেন আবদুল্লাহ রানা এবং প্রযোজনায় আসলাম শিকদার।

ধারাবাহিক ‘শূন্যতা’

প্রতি মঙ্গল ও বুধবার রাত ৮ টায় মাছরাঙা টেলিভিশনে প্রচার হচ্ছে ধারাবাহিক নাটক ‘শূন্যতা’। পান্থ শাহরিয়ারের রচনায় এটি পরিচালনা করেছেন আনু বিশ্বাস। এতে অভিনয় করেছেন আফরান নিশো, সুমাইয়া শিমু, জোভান, শশী, নাজনীন চুমকি, রাইসুল ইসলাম আসাদসহ আরও অনেকে। গল্পে দেখা যাবে, জামান সাহেবের বয়স প্রায় পঁয়ত্রিশ। কিছুটা বোকা আর সাদাসিধে টাইপের এই লোকটি এক ট্রাভেল এজেন্সি চালায়। পাশের ফ্ল্যাটের আমজাদ সাহেবের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা রয়েছে তার। আমজাদ সাহেবের স্ত্রী জামানকে  নিজের ছেলের মতো পছন্দ করে এবং বাসায় ভালোমন্দ রান্না হলে মেয়েকে দিয়ে পাঠিয়ে দেয়। ইউনিভার্সিটি পড়ুয়া তৃনা নামের মেয়েটিকে ভালো লাগে জামানের। কিন্তু মেয়েটি অন্য এক ছেলেকে পছন্দ করে। এদিকে, গ্রামের আত্মীয়রা জামানের বিয়ের জন্য উঠে-পড়ে লেগেছে। এক মেয়েকে পছন্দও করে ফেলে জামান। তার সঙ্গে কিছুদিন ঘোরাফেরা আর মন বিনিময় হয়। কিন্তু ঘটনার আবর্তে এই মেয়ের সঙ্গে বিয়ে ভেঙে যায় জামানের। সেই থেকে মেয়ে মানুষের প্রতি জামানের মধ্যে এক ধরনের তিক্ততা তৈরি হয়।

 প্রতিনিয়ত নতুন কিছু শেখার চেষ্টা করছি

তরুণ নির্মাতা তপু খান। এই সময়ের ব্যস্ততম একজন নির্মাতা। গত ঈদে বিভিন্ন চ্যানেলে তার পরিচালিত পাঁচটি নাটক প্রচার হয়। কথা হলো তপুর সঙ্গে-

আনন্দ আলো: নির্মাণে এলেন কীভাবে?

tapu-khanতপু খান: আমার পরিবার খুব শিল্পমনা। তাই শিল্পের প্রতি ভালোবাসার প্র্যাকটিসটা পরিবার থেকেই পেয়েছি। ছোটবেলায় বাবা-মায়ের সঙ্গে যখন প্রেক্ষাগৃহে সিনেমা দেখতে যেতাম তখন নানানরকম প্রশ্ন মনের মধ্যে উঁকি দিতো। কীভাবে ছবি হয়, কেমন হয়, এরা কী সত্যি মানুষ, নাকি অন্য কেউ। আমি কখনোই খেলাধুলা করতাম না। স্কুলে পড়ার সময় সিনেমা দেখা এবং গল্পের বই পড়াই আমার শখ ছিল।  এসএসসি পাস করার পর আমাদের পল্লবী এলাকার একটা সার্কেল ছিল যারা শর্ট ফিল্মের বিভিন্ন কার্যক্রমের সঙ্গে যুক্ত ছিল। তাদের সঙ্গে আমিও যোগ দেই। সেখান থেকে সাইফুর রুবেল নামে এক পরিচালকের সহকারী হিসেবে কাজ শুরু করি। এক সময় তানভীর হোসেন প্রবাল দা- এর সঙ্গে যোগাযোগ হয়। উনার সঙ্গে কাজ করি দীর্ঘ সময়। উনার পরিচালিত ‘অ-এর গল্প’তে পর্ব পরিচালক হিসেবে কাজ করি।

আনন্দ আলো: সম্পূর্ণ পরিচালক হয়ে আত্মপ্রকাশ করলেন কবে থেকে?

তপু খান: শামীম শাহেদ ভাইয়ের হাত ধরে আমার এককভাবে পরিচালক হিসেবে পথচলা শুরু হয়। তিনিই আমাকে পরিচালক হওয়ার বিষয়ে উদ্বুদ্ধ করেন। বাংলা ভিশনে আমার পরিচালনায় ‘গট ম্যারেজ’ নাটকটি প্রচার হয়। তবে আমার প্রথম শ্যুট করা নাটক ছিল ‘তুমি মানে তোমার চলে যাওয়া’। একে একে প্রায় পনেরটি সিঙ্গেল নাটক নির্মাণ করলাম।

আনন্দ আলো: গত ঈদে আপনার পরিচালিত বেশ কয়েকটি নাটক প্রচার হয়। কেমন সাড়া পেলেন?

তপু খান: একটি ঈদে একজন পরিচালকের পাঁচটি নাটক প্রচার হওয়া আমার কাছে অনেক বড় পাওয়া। একসঙ্গে কিন্তু নাটকগুলোর শুটিং করা হয়নি। ঈদের বেশ কয়েক মাস আগে থেকেই শুটিং করি। আমি বেশ সময় নিয়ে নাটক নির্মাণ করে থাকি। ‘প্রাক্তন’, ‘ভায়োলিন’, ‘পুতুল পুতুল’, ‘সলিউশন ব্যাংক’ নাটকগুলো ঈদে প্রচার হয়। বেশ সাড়া পেয়েছি। বিশেষ করে প্রাক্তন ও ভায়োলিনের প্রশংসা আমি বেশি পেয়েছি। আরেকটি কথা না বললেই নয়- ঈদে আমার পরিচালিত ‘প্রাক্তন’ ও ‘পুতুল দুটি নাটকে বিশিষ্ট নির্মাতা ও অভিনেতা আফজাল হোসেন অভিনয় করেন।  আনন্দ আলো: এখন কী নিয়ে ব্যস্ত?

তপু খান: নতুন নাটক নির্মাণ করা নিয়েই ব্যস্ত। ঈদের পর পরই ‘তাহাদের একদিন’ এবং ‘কট বি হাইন্ড’ নামের দুটি নাটক প্রচার হয়। আমি একক নাটক বেশি নির্মাণ করে থাকি।

আনন্দ আলো: ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা কি নিয়ে?

তপু খান: চলচ্চিত্র পরিচালনার স্বপ্ন দেখি। একজন নির্মাতার স্বপ্নই থাকে চলচ্চিত্র পরিচালনা করা। আমারও সেটা আছে। আর এজন্যই নাটক নির্মাণ করে পরিচালনার প্র্যাকটিসটা করছি। প্রতিনিয়ত নতুন কিছু শেখার চেষ্টা করছি। জীবনে এমনকিছু করার ইচ্ছা যা দর্শক সারাজীবন মনে রাখবে।