আনত্মর্জাতিক পরিমন্ডলে বাংলাদেশের সিনেমা

আনত্মর্জাতিক পরিমন্ডলে বাংলাদেশের সিনেমা

1050
SHARE

জাকীর হাসান: ১৯৫৬ সালে এদেশে ‘মুখ ও মুখোশ’ নির্মাণের মধ্যদিয়ে মূলত: সবাক চলচ্চিত্রের যাত্রা। তারপর নানান চড়াই উৎরাই পেরিয়ে উপমহাদেশে বাংলাদেশের চলচ্চিত্র তার নিজস্ব একটা ভিত গড়ে তোলে। সৃজনশীল নির্মাতাদের হাত ধরে নির্মিত হতে থাকে প্রচুর মান সম্পন্ন ছবি। বাংলা ছবির গুণগত মান, নির্মাণশৈলী ও দর্শকপ্রিয়তার কারনে এক সময় প্রবল পরাক্রমশালী উর্দু ছবিকে হটিয়ে বাংলা ছবি প্রতিষ্ঠা পায়। দর্শকপ্রিয়তা ও মানগুণ বিচারে সেই শ্রেষ্ঠত্ব শুধু দেশে নয় আনত্মর্জাতিক পরিমন্ডলেও বোদ্ধাদের দৃষ্টি কাড়তে সক্ষম হয় আমাদের চলচ্চিত্র।

ষাট ও সত্তর দশকে এদেশের চলচ্চিত্র সার্বিক বিবেচনায় স্বর্ণযুগ অতিবাহিত করেছে। অভিনয়, গল্প, নির্মাণ ও নির্মাতাদের একনিষ্ঠ পেশাদারিত্বের কারণে দর্শকের কাছে তখনকার সিনেমা গুলো হয়ে উঠতো জীবনত্ম ও প্রানবনত্ম। এসময়ে নির্মিত প্রায় প্রতিটি সিনেমা যেমন প্রশংসা পেয়েছে এ দেশের মানুষের কাছে তেমনি বিদেশী অনেক আনত্মর্জাতিক উৎসবেও আমন্ত্রন পেয়ে পুরস্কৃত হয়েছে ও প্রশংসা পেয়েছে। কিন্তু ওই সময় বহিবিশ্বের সঙ্গে যোগাযোগ ব্যবস্থা ভালো ছিল না বলে তখনকার নির্মাতারা ইচ্ছা থাকা সত্ত্বেও আনত্মর্জাতিক ফিল্ম ফ্যাস্টিভালে অংশ নিতে পারতেন না।

আশির দশকের মাঝামাঝি সময় থেকে নব্বই দশকের মাঝামাঝি সময় সাত থেকে আটটি বছর এদেশের চলচ্চিত্রে ভর করেছিল ঘোর অমানিসা। অশ্লীল আর অনৈতিকভাবে নির্মিত ছবির প্রতি এদেশের দর্শকরা মুখ ফিরিয়ে নিয়েছিল। এ সময় আনত্মর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের ছবিগুলো ছিল উপেক্ষিত। এরপরই আশার আলো নিয়ে আবির্ভাব হয় দেশে সুস্থধারার চলচ্চিত্র নির্মাণের একমাত্র প্রতিষ্ঠান ইমপ্রেস টেলিফিল্ম লিমিটেড। প্রতিষ্ঠানটি একের পর এক সাহিত্যনির্ভর, মুক্তিযুদ্ধ এবং সৃজনশীল নানান গল্পের ছবি নির্মাণ করতে শুরু করে। আসেত্ম আসেত্ম অমানিসায় ঢেকে থাকা ঢাকার চলচ্চিত্র আলোর মুখ দেখতে থাকে। মুখ থুবড়ে পড়া দর্শক সিনেমা হলে ফিরে আসতে শুরু করে। ইমপ্রেসের দেখানো পথে শিক্ষিত মেধাসম্পন্ন তথ্যপ্রযুক্তি জ্ঞানসম্পন্ন কিছু তরুণ সিনেমা নির্মাণ করতে এগিয়ে আসে। শুরু হয় এদেশের সিনেমার নতুন যুগ। ইমপ্রেস ও তরুণ নির্মাতাদের ছবির প্রতি দেশের মানুষের আগ্রহ ও ভালো লাগার প্রভাব আনত্মর্জাতিক অঙ্গনেও আলোড়ন তোলে। তাদের নির্মিত ছবি শুধু দেশী বিদেশী দর্শকদের প্রশংসাই অর্জন করেনি বহু আনত্মর্জাতিক উৎসবে অংশ নিয়ে পুরস্কৃত হয়েছে।

১৯৫৯ সালে এদেশের চলচ্চিত্র ইতিহাসে প্রথমবারের মতো ঢাকায় নির্মিত উর্দু ছবি এ জে কার্দার পরিচালিত ‘জাগো হুয়া সাবেরা’ লন্ডনের হ্যামার থিয়েটার, বৃটিশ ফিল্ম ইনষ্টিটিউট, যুক্তরাষ্ট্রের ফ্ল্যাহাটি ফাউন্ডেশন ও দক্ষিণ ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সেমিনার হলে প্রদর্শিত হয়। একই বছর ছবিটি বিদেশী ভাষা ক্যাটাগরিতে অস্কার প্রতিযোগিতায় আমন্ত্রণ পায়। জাগো হুয়া সাবেরা মোট ১১টি আনত্মর্জাতিক পুরস্কার লাভ করে।

১৯৬১ সালে পাকিসত্মানের প্রেসিডেন্ট ফিল্ড মার্শাল আইয়ূব খান প্রবর্তিত প্রেসিডেন্ট আনত্মর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে ফতেহ লোহানী পরিচালিত ‘আছিয়া’ ছবিটি শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্রের পুরস্কার অর্জন করে। একই বছর আছিয়া নয়াদিল্লী আনত্মর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবেও প্রদর্শিত হয়।

১৯৬১ সালে ডিএফপি কর্তৃক নির্মিত প্রামাণ্যচিত্র ‘ওয়েস্ট এন্ড বান্ড’ কানাডার ভ্যানকুভারে অনুষ্ঠিত আনত্মর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে অংশ নেয়।

১৯৬২ সালে বিশিষ্ট চিত্রগ্রাহক ও নির্মাতা বেবী ইসলাম পরিচালিত ‘তানহা’ ছবিটি বৈরুত আনত্মর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে বিশেষ পুরস্কার পায়। একই বছর সালাহউদ্দিন পরিচালিত ‘সূর্যস্নান’ ছবিটি তেহরান আনত্মর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে পুরস্কার অর্জন করে। ১৯৬৪ সালে কলকাতা আনত্মর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে ডিএফপি নির্মিত ‘হ্যান্ডিক্রাফটস’ প্রামাণ্য চিত্রটি বিশেষ পুরস্কার অর্জন করে।

১৯৬৫ সালে পশ্চিম জার্মানীর ফ্র্যাঙ্কফোর্ট চলচ্চিত্র উৎসবে সুভাষ দত্তের ‘সুতরাং’ দ্বিতীয় শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্রের পুরস্কার পায়। ১৯৬৯ সালে বুলগেরিয়া আনত্মর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব এবং ১৯৭০ সালে কায়রো আনত্মর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে ‘সুতরাং’ প্রদর্শিত হয়।

১৯৬৫ সালে সুভাষদত্তের ‘সুতরাং’ লন্ডনে অনুুষ্ঠিত কমনওয়েলথ আনত্মর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে প্রদর্শিত হয়। একই বছর জহির রায়হানের ‘সঙ্গম’ লন্ডন ও নেপালের আনত্মর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে প্রদর্শিত হয়।

১৯৬৭ সালে নিউইয়র্ক থিয়েটার হলে সাদেক খান পরিচালিত ‘নদী ও নারী’ ছবিটি প্রদর্শিত হয়। একই বছর তাসখন্দ আনত্মর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে খান আতাউর রহমান পরিচালিত ‘নবাব সিরাজউদ্দৌলা’ এবং ১৯৬৮ সালে একই পরিচালকের উর্দু ছবি ‘সোয়ে নদীয়া জাগে পানি’ প্রদর্শিত হয়।

১৯৬৭ সালে মস্কো আনত্মর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে সুভাষ দত্তের ‘আয়না ও অবশিষ্ট’ ছবিটি বেসরকারীভাবে উৎসবে বিশেষ পুরস্কার লাভ করে। ১৯৬৮ সালে কম্বোডিয়ার নমপেনে অনুষ্ঠিত আনত্মর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে আনত্মর্জাতিক চলচ্চিত্র মেলায় সেই দেশের রানীর বিশেষ পুরস্কার পায় সুভাষ দত্ত পরিচালিত ‘আবির্ভাব’। একই উৎসবে বাংলাদেশের প্রামাণ্যচিত্র ডিএফপি নির্মিত ‘সারমন্স ইন ব্রিক’ পুরস্কার পায়।

১৯৭২ সালে তাসখন্দ আনত্মর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে জহির রায়হানের আলোচিত ছবি বাংলাদেশের মুক্তযুদ্ধের উপর নির্মিত ‘স্টপ জেনোসাইড’ প্রদর্শিত হয় এবং উৎসবে বহুল প্রশংসিত হয়। ১৯৭৩ সালে মস্কো আনত্মর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে সুভাষ দত্ত পরিচালিত ‘অরুণোদয়ের অগ্নিস্বাক্ষী’ প্রদর্শিত হয়। একই বছর খান আতা পরিচালিত ‘আবার তোরা মানুষ হ’ এবং বেবী ইসলাম পরিচালিত ‘চরিত্রহীন’ প্রদর্শিত হয়। ১৯৭৫ সালে নয়াদিল্লীতে অনুষ্ঠিত আনত্মর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে জহির রায়হান পরিচালিত ‘স্টপ জেনোসাইড’ সিডালক পুরস্কার অর্জন করে।

১৯৭৫ সালে নয়াদিল্লী, ব্রিটিশ জাতীয় থিয়েটার হল, ওয়াশিংটনে সার্কেল থিয়েটার হলে কবীর আনোয়ার পরিচালিত ‘সুপ্রভাত’ ছবিটি প্রদর্শিত হয়। ১৯৭৮ সালে তাসখন্দ চলচ্চিত্র উৎসবে সুভাষ দত্তের ‘বসুন্ধরা’ ছবিটি প্রদর্শিত হয়। ১৯৭৯ সালে মস্কো আনত্মর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে সুভাষ দত্তের ‘ডুমুরের ফুল’ শিশু বিভাগে বিশেষ পুরস্কার অর্জন করে। একই উৎসবে আমজাদ হোসেন পরিচালিত ‘গোলাপী এখন ট্রেনে’ এবং ক্যামেরাম্যান ও পরিচালক এম এ সামাদের ‘সূর্য সংগ্রাম’ বেসরকারীভাবে বিশেষ পুরস্কার অর্জন করে।

১৯৮০ সালে পশ্চিম জার্মানীর মেইন হেইমে অনুষ্ঠিত আনত্মর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে শেখ নেয়ামত আলী ও মশিউউদ্দিন সাকের পরিচালিত ‘সূর্য দীঘল বাড়ি’ বিশেষ পুরস্কার পায়। একই বছর পর্তুগাল আনত্মর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে বাদল রহমান পরিচালিত শিশুতোষ চলচ্চিত্র ‘এমিলের গোয়েন্দা বাহিনী’ এবং একই বছর মস্কো আনত্মর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে আজিজুর রহমানের ‘ছুটির ঘন্টা’, আমজাদ হোসেনের ‘কসাই’, খান আতাউর রহমানের শিশুতোষ চলচ্চিত্র ‘ডানপিটে ছেলে’ ছবিগুলো প্রদর্শিত হয়। এর মধ্যে ‘ডানপিটে ছেলে’ শ্রেষ্ঠ ছবির পুরস্কার অর্জন করেন।

১৯৮১ সালে জার্মানীতে অনুষ্ঠিত আনত্মর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে আমজাদ হোসেনের ‘গোলাপী এখন ট্রেনে’, ‘কসাই’, সুভাষ দত্তের ‘ডুমুরের ফুল’, খান আতার ‘ডানপিটে ছেলে’, আব্দুল্লাহ আল মামুনের ‘এখনই সময়’ ও দেওয়ান নজরুলের ‘বারুদ’ প্রদর্শিত হয়।

১৯৮৫ সালে নয়াদিল্লী আনত্মর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে রফিকুল বারী চৌধুরীর ‘পেনসন’, মোরশেদুল ইসলামের স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র ‘আগামী’ প্রদর্শিত হয়। এর মধ্যে শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র পরিচালকের পুরস্কার পান মোরশেদুল ইসলাম। একই বছর মস্কো আনত্মর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে প্রামান্যচিত্র ‘হৃদয়ে একুশ’ ডিপ্লোমা পুরস্কার পায়। ওই উৎসবে আমজাদ হোসেনর ‘ভাত দে’ প্রদর্শিত হয়।

১৯৮৫ সালে রফিকুল বারী পরিচালিত ‘পেনশন’ ছবিটি কায়রো চলচ্চিত্র উৎসবে প্রদর্শিত হয়। ১৯৮৬ সালে কার্লভেরী আনত্মর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে শেখ নেয়মত আলীর ‘দহন’ পুরস্কার পায়। একই বছর মস্কো চলচ্চিত্র উৎসবে দারাশিকো পরিচালিত ‘প্রেম কাহিনী’ ও সুভাষ দত্তের ‘ফুল সজ্জা’ প্রদর্শিত হয়।

১৯৮৭ সালে অনুষ্ঠিত কান চলচ্চিত্র উৎসবে আমজাদ হোসেনের ‘ভাত দে’ প্রর্দশিত হয়। কান-এ প্রদর্শিত এটাই প্রথম ছবি। একই বছর নয়াদিল্লী আনত্মর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে মঈনুল হোসেনের প্রেমিক, নারায়ন ঘোষ মিতার ‘সুদ আসল’, এজে মিন্টুর ‘অন্যায়’, শহীদুল ইসলাম খোকনের ‘লড়াকু’ প্রদর্শিত হয়।

শুধু আমাদের দেশের চলচ্চিত্র বিদেশের আনত্মর্জাতিক উৎসবে অংশ নেয়নি বাংলাদেশেও অনুষ্ঠিত হয়েছে আনত্মর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব। ৮১ সালে স্বাধীন বাংলাদেশে প্রথম আনত্মর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব অনুষ্ঠিত হয় ঢাকার মধুমিতা সিনেমা হলে। এক সপ্তাহ ব্যাপী এই উৎসবে ১৮টি দেশের ২৫টি চলচ্চিত্র প্রদর্শিত হয়। ১৯৮৫ সালে প্রথম সার্ক আনত্মর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব অনুষ্ঠিত হয় ঢাকায়। তবে ঢাকায় প্রথম আনত্মর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব অনুষ্ঠিত হয় তদানিনত্মন পূর্ব পাকিসত্মান শাসনামলে।

মোসত্মফা সরওয়ার ফারুকীর ‘টেলিভিশন’ ১৭তম বুসান আনত্মর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে প্রদর্শিত হয়।

১৯তম কলকাতা আনত্মর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে ছবিটি এশিয়ান সিলেক্ট ক্যাটাগরিতে সেরা ছবি হিসেবে নেটপ্যাক পুরস্কার পায়।

২০১২ সালে এশিয়ান সিনেমা ফান্ড ফর পোস্ট প্রোডাকশন পুরস্কার এবং জার্মানীর গোটেনবার্গ ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে চিত্রনাট্যের পুরস্কার লাভ করে টেলিভিশন।

 

২০১৩ সালে অস্ট্রেলিয়াতে অনুষ্ঠিত এশিয়া প্যাসিফিক স্ক্রিন অ্যাওয়ার্ড-এ অ্যাপসা ফার্স্ট জুরি গ্র্যান্ড পুরস্কার অর্জন করে টেলিভিশন।

কামার আহমেদ সায়মন পরিচালিত শুনতে কি পাও ফ্রান্সের গ্রাঁ প্রি জেতার পর একই সঙ্গে ছয়টি উৎসবে আমন্ত্রিত হয়। ২০১৩ সালে অক্টোবরে জাপানের ইয়ামাগাতার, অস্টেলিয়ার প্রামান্য চিত্র উৎসব অ্যান্টেনা, যুক্তরাজ্যের টেকওয়ান অ্যাকশন, তুরস্কের ২০তম গোল্ডেন বোল চলচ্চিত্র উৎসব, কসোভোর প্রি ফিল্ম ফেস্ট ও এশিয়ার প্রামান্য চলচ্চিত্র উৎসব ফিল্ম সাউথ এশিয়ার ছবিটি প্রদর্শিত হয়।

২০১২ সালে জার্মানিতে ৫৫ তম ডক-লাইপজিগ উৎসবে উদ্বোধনী ছবির এবং বিশ্বের বৃহত্তম প্রামান্য চলচ্চিত্র উৎসব ইডফা’য় আনুষ্ঠানিক প্রদর্শনীর মর্যাদা পায় ‘শুনতে কি পাও’। ২০১৩ সালে ছবিটি প্যারিসে অনুষ্ঠিত ৩৫তম সিনেমা দ্যু রিলে উৎসবে শ্রেষ্ঠ ছবির পুরস্কার অর্জন করে।

২০১৫ সালে ফ্রান্সের ভেসেল আনত্মর্জাতিক এশিয়া চলচ্চিত্র উৎসবে ইন্টারন্যাশনাল জুরি অওয়ার্ডসহ তিনটি ক্যাটাগরিতে পুরস্কার অর্জন করে রুবাইয়াত হোসেনের ‘আন্ডার কনস্টাকশন’।