Home সাক্ষাৎকার আত্মার কাছাকাছি দুই দেশকেই অনেক ভালোবাসি :মিতালী মুখার্জী

আত্মার কাছাকাছি দুই দেশকেই অনেক ভালোবাসি :মিতালী মুখার্জী

SHARE

সুকণ্ঠী শিল্পী মিতালী মুখার্জী একইসাথে প্রিয়দর্শিনী। সঙ্গীতে অসাধারণ অবদান রাখায় সিটিব্যাংক এনএ কর্তৃক আজীবন সম্মাননা প্রাপ্তি উপলক্ষে তিনি সম্প্রতি বাংলাদেশে এসেছিলেন। রেডিসন ব্লু ওয়াটার গার্ডেন হোটেলে সাক্ষাৎকালে তাকে  ‘সুকণ্ঠী ও প্রিয়দর্শিনী’ এই দুইয়ের একটি চমৎকার প্যাকেজ বলা হলে মিষ্টি করে হেসে ফেললেন। জানা গেল একসময় তাকে সিনেমায় অভিনয়ের অফারও দেয়া হয়েছিল। তিনি বিনয়ের সাথে প্র¯ত্মাবটি ফিরিয়ে দিয়েছিলেন কারণ তার একমাত্র লক্ষই ছিল গান। মিতালী মুখার্জী আমাদের সংস্কৃতিকে সীমানার বাইরে নিয়ে গেছেন। আপন মহিমায় স্থান করে নিয়েছেন বিশ্বমঞ্চে। পড়ালেখা এবং পরবর্তীতে বিয়েজনিত কারণে বর্তমানে তিনি স্থায়ীভাবে বসবাস করছেন ভারতের মুম্বাইয়ে। সিটি ব্যাংক এনএ আয়োজিত ‘গানে গানে গুণীজন সংবর্ধনা’ অনুষ্ঠানের ঠিক আগেরদিন রেডিসন বøু ওয়াটার গার্ডেন হোটেলে আনন্দ আলোর সাথে কথা হয় প্রিয় শিল্পী মিতালী মুখার্জীর। লিখেছেন- প্রীতি ওয়ারেছা।

আনন্দ আলো: অনেক দিন পর দেশে এলেন। অনুভ‚তি জানতে চাই।

মিতালী মুখার্জী: দেশে আসি বা না আসি তারপরও বাংলাদেশ বিষয়ে আমার অনুভূতির জায়গা খুবই প্রবল। এই অনুভূতিগুলো ভাষায় ব্যক্ত করা খুব কঠিন। বাংলাদেশের মানুষ আমাকে এত ভালোবাসে আমি গর্ব করেও শেষ করতে পারিনা। কখনো মনে হয়না আমি বাংলাদেশে স্বশরীরে বাস করিনা। কিছুদিন আগে আমি আমেরিকায় ফোবানা উৎসবে আমন্ত্রিত হয়ে গিয়েছিলাম। সঙ্গে আমার ছেলে ছিল। সেখানে এক ভদ্রলোকের সাথে দেখা। আমাকে দেখেই ময়মনসিংহের টান ধরে বলে বসল- মিতালী তুমি ঐরকমই আছো! তোমার দাদা কিরকম আছে এই যে স্নেহ, মায়া, আত্মার বন্ধন এটা কেবল অšত্মরের টান থাকলেই ঘটে! এটা আমার পরম পাওয়া। আমার ছেলে এসব দেখে আর বলে মাম্মা ওরা তোমাকে কতো ভালোবাসে! নেক্সট টাইম তুমি বাংলাদেশে প্রোগ্রাম করতে গেলে আমাকে নিয়ে যাবে। আমি এবার বাংলাদেশে এসেছি দেড় বছর পর। আমার যে কেমন লাগে! এই অনুভূতিটা যে আমার কোথায় কাজ করে! আমার ব্র²পুত্র, আমার মা, আমার বাবা, আমার পরিবার সবকিছু মিলেমিশে একাকার। আমাকে দেশের মানুষ যখনই ডাকে আমি সম¯ত্ম সত্ত¡া উজাড় করে সেই ডাকে সাড়া দেই।

আনন্দ আলো: বাংলাদেশের মেয়ে হিসেবে আজীবন সম্মাননা পাচ্ছেন। কেমন লাগছে?

01_2মিতালী মুখার্জী: যখনই দেশে আসি প্রতিবারই কোনো না কোনো সুন্দর অভিজ্ঞতা নিয়ে ফিরে যাই। কিন্তু এবারের অভিজ্ঞতা যেন আগের সবকিছুকেই ছাড়িয়ে গেছে। এবার ফিরছি এমন এক অভিজ্ঞতা নিয়ে, যা এর আগে কখনোই ঘটেনি। সিটি ব্যাংক এনএ আমাকে আজীবন সম্মাননা পুরস্কার দিচ্ছে। বাবা বেঁচে থাকলে আজ অনেক খুশি হতেন। বাবাকে নিয়ে একটা গভীর মনোবেদনা আমাকে সবসময় তাড়িত করে। আমার বাবা ক্যান্সারে মারা গিয়েছেন। তাকে চিকিৎসার জন্য ভারতে নিয়েছিলাম। তখন বাবা খুব অসুস্থ। বারবার আমাকে বলেছেন, মা আমাকে তুই ময়মনসিংহ নিয়া চল। আমি তার শেষ ইচ্ছে পূরণ করতে পারিনি। আমার মাও সম্প্রতি মারা গেছেন। যদি উনারা আমার খুশিটা দেখে যেতে পারতেন! কথাগুলো বলতে বলতেই মিতালী মুখার্জীর চোখ ভিজে ওঠে, আবেগ তাড়িত কণ্ঠে বলেন-বাংলাদেশে আসামাত্র বুকের ভেতরটা মোচড় দিয়ে উঠেছে।

আনন্দ আলো: মিতালী মুখার্জীর গানের সাথে মিতালীটা হয়েছিল কী করে?

মিতালী মুখার্জী: আমার পুরো পরিবারই গান পাগল। সব ভাইবোনই গানের চর্চা করতাম। পরিবেশটা আসলে বাবা মা-ই তৈরি করে দিয়েছিলেন। দেখা যেত মা রান্নাঘরে রান্না করছেন আর আমি ঘরে বসে রেওয়াজ করছি। মা রান্নাঘর থেকে আমাকে শুধরে দিতেন- মিতালী তোর গলায় ঐ সুরটা লাগেনি, আবার তোল। বাবা অফিস থেকে ফিরে বলতেন- ঐ গানটা তুলেছো? আমি ফ্রেশ হয়ে এসে তোমার গান শুনবো। আমার গানে হাতে খড়ি ও¯ত্মাদ নারায়ণ দাসের কাছে। পরবর্তীতে তার ছাত্র ও¯ত্মাদ মিথুন দে আমাকে শিখিয়েছেন। শিল্পী হিসেবে এই পর্যায়ে আসার পেছনে আছে আমার বাবা-মায়ের অক্লাšত্ম পরিশ্রম আর আমার ও¯ত্মাদজী মিথুন দে’র দীক্ষা। কী যে অসাধারণ শিক্ষক ছিলেন তিনি। আমাকে ঘষে মেজে তৈরি করেছেন। কখনো বকা দিতেন না। বকা দিতেই জানতেন না। তারপরেও আমরা তাকে ভয় পেতাম। কী অসাধারণ ব্যক্তিত্ব তার! গান শেখার ব্যাপারে তিনি আমাকে চূড়াšত্ম স্বাধীনতা দিয়েছিলেন। আমি ছোটকালে প্রচন্ড তেঁতুল খেতে পছন্দ করতাম। একদিন তেঁতুল খেয়ে বাসায় ঢুকে দেখি ও¯ত্মাদজী চলে এসেছেন। আমাকে ডেকে কাছে বসালেন। গলায় একটা রাগ তুলতে বললেন। আমি একটা টান দিতেই বললেন, থাম। তেঁতুল খাইয়া আইচিস, না! থাক তোর আর আজ গাওয়া লাগবে না। আমি গাইছি, তুই আমারটা শোন। তখন বুঝতাম না কিন্তু এখন বুঝি গুণী শিল্পীর গান শোনাও গান চর্চার বড় একটা অংশ। ক্লাসিক্যাল পুরো আয়ত্ত না করে এবং ক্লাস টেনের আগে রেডিও টেলিভিশনে  গান গাওয়ার ব্যাপারে ও¯ত্মাদজীর নিষেধাজ্ঞা ছিল। তিনি বাবা-মাকে বলতেন অল্প বয়সে দুই চারটা হাত-তালি পেলে মেয়েটা ধরাকে সরা জ্ঞান করবে। কোন দরকার নাই। আগে শিখুক। ও¯ত্মাদজীর কথা বাবা মা অক্ষরে অক্ষরে পালন করতেন। আমার গান শুনে সবাই পরামর্শ দিতো রেডিও টেলিভিশনে  গাইতে। কিন্তু বাড়ি থেকে কখনো সেটা করতে দেইনি।

আনন্দ আলো:  নিজের প্রিয় দেশ ছেড়ে আরেক দেশে বসবাসের কারণে কখনো কী নিজেকে প্রবাসী বলে মনে হয়েছে?

মিতালী মুখার্জী: নাহ্ তা কখনো মনে হয়নি। মনে না হওয়ার কারণ হলো আমি অনেকদিন ধরে সেদেশে আছি। ওখানে আমার প্রচুর বন্ধু আছে। বিয়ে করে ঘর সংসারও করছি। সবমিলিয়ে নিজেকে আর প্রবাসী বলে মনে হয়না। ওরাও আমাকে ভীষণ রকম ভালোবাসে। আর এদেশেই আমার জন্ম, বেড়ে ওঠা। এদেশেই গান দিয়ে আমার যাত্রা শুরু। বাংলাদেশী শ্রোতাদের জন্যেই আজকের আমি হয়ে ওঠা। আমি অনেক ভাষায় গান গেয়েছি তবে বাংলা গানের শিল্পী হিসেবেই বিশ্ব আমাকে চিনেছে। আত্মার কাছাকাছি দুই দেশকেই অনেক ভালোবাসি।

আনন্দ আলো: চলচ্চিত্রের একটি গানের জন্য আপনি এখানে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পেয়েছেন? সেই স্মৃতিটা যদি আমাদের সাথে শেয়ার করতেন।

mitali_mukherjee1মিতালী মুখার্জী: আমজাদ হোসেনের ‘দুই পয়সার আলতা’ চলচ্চিত্রে  ‘এই দুনিয়া এখন তো আর সেই দুনিয়া নেই, মানুষ নামের মানুষ আছে দুনিয়া বোঝাই’ গানের জন্য ১৯৮২ সালে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পেয়েছি। একজন শিল্পীর সাথে একটি গানের পরিচয় ঘটে অনেক পরে। একটা গান সৃষ্টির পেছনে গীতিকার ও সুরকারের ভূমিকা সবচেয়ে বেশি। গানটি প্রথমে বাংলাদেশ টেলিভিশনের জন্য রেকর্ড করেছিলাম। আমার কণ্ঠে দশটা গান রেকর্ড করা হবে। নয়টা গান ইতোমধ্যে রেকর্ড হয়ে গেছে। সুরকার আলাউদ্দীন আলী ভাই খুব খুঁতখুঁতে একজন মানুষ। সময় নিয়ে কাজ করেন। এরই মধ্যে আমি বারবার তাকে বিরক্ত করছি আলাউদ্দীন ভাই ‘কেউ কোনদিন আমারে তো কথা দিলোনা’ এই রকম একটি গান আমাকে দিতে হবে। সেইসময় উনি আমাকে ‘হারানো দিনের মত হারিয়ে গেছ তুমি’ শেখাচ্ছিলেন। তিনি আমাকে ধমক দিয়ে বললেন এইটা আগে গলায় তোল। আমি তারপরেও ঘ্যানঘ্যান করছিলাম। সিঁড়ি থেকে মুসা আহমেদ ভাই চিৎকার করে উঠলেন- এখনো গানই তোলা হলনা আমি শুটিং করব কখন? আলাউদ্দীন ভাইয়ের প্রতি তীর ছুঁড়লেন-এই লোকটারে নিয়ে আমি পারলাম না। দশ নম্বর গান ছিল ‘এই দুনিয়া এখন তো আর সেই দুনিয়া নাই, মানুষ নামের মানুষ আছে দুনিয়া বোঝাই’। যখন গানটি তোলা হচ্ছিল নিজের রুম থেকে মুসা ভাই বের হয়ে এসে বললেন, আলাউদ্দীন তুই এটা কি করছিস? গানটি শুনে উনি কেঁদে ফেললেন। গানের কথাগুলো কি অসাধারণ! কতদিন আগের গান অথচ এখনো সমসাময়িক! গানের ক্ষেত্রে লেখকের ভাবনার সাথে সুরকার বিষয়টাকে আরো সুসম্পর্ক তৈরী করে দেয়। আর শিল্পী সেটাকে শুধুমাত্র শ্রোতাদের কাছে ডেলিভার করে। সামগ্রীকভাবে একটা গান তৈরি হয়। গানটি টিভিতে প্রচারিত হলে আমজাদ ভাইয়ের খুব পছন্দ হয়ে যায়। তিনি তার চলচ্চিত্রে গানটিকে ঠাঁই দেন। আমি কৃতজ্ঞ সবার প্রতি। কিছু কিছু ব্যাপার আছে যেটা আপনা আপনি ঘটে যায়। না চাইলেও ঘটে যায়। আমি খুব ভাগ্যবতী যে এই গানটি পরবর্তীতে চলচ্চিত্রে ব্যবহৃত হয়েছে এবং গানটির জন্য আমি জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পেয়েছি।

আনন্দ আলো: আপনি বাংলাদেশ ও ভারত দুই দেশেই প্রচুর গান করেছেন। মৌলিক কোন পার্থক্য কি চোখে পড়েছে?

মিতালী মুখার্জী: আমি মনে করি গুণী মানুষের কোন দেশ, কাল নেই। চিরকালীন তারা নমস্য মানুষ। আমার স্বামী ভুপিন্দর সিংয়ের সাথে যখন পরিচয় হয় তখন তিনি আরডি বর্মণের সাথে কাজ করতেন। যখন আলাউদ্দীন আলীর সুর করা আমার গান ভুপিন্দরকে শোনালাম তখন তিনি উচ্ছ¡সিত হয়ে বলেছিলেন- আরে বাহ্ ইনি তো বাংলাদেশের আরডি বর্মণ। শেখ সাদী ভাইয়ের সুর করা গান শুনে তিনি মুগ্ধ হয়ে বলেছিলেন বাংলাদেশে তো খুব ভালো ভালো গান হচ্ছে! ভালো কাজ এখানেও হচ্ছে ওখানেও হচ্ছে। আসলে কারো সাথে কারো তুলনা করা যায় না। প্রত্যেকের নিজস্বতা আছে। নিজস্বতার কারণেই গান শুনলে বলে দেয়া যায় গানটি কার।

আনন্দ আলো: বাবা-মায়ের মত আপনার সšত্মানও কি মিউজিকের সাথে আছে? পরিবার বিষয়ে জানতে চাই।

মিতালী মুখার্জী: আমার একটামাত্র ছেলে। সে খুব গিটারপ্রিয় মানুষ। অসাধারণ গিটার বাজায়। বিষয়টা বোধ হয় সে তার বাবা ভুপিন্দর সিংয়ের কাছ থেকে পেয়েছে। আমার ছেলে খুব ভালো বাংলা বলতে পারে। আমি যদি তাকে বলি, বাবা খেতে এসো। সে উত্তরে বলবে, অপেক্ষা করো মা- আসছি। সেটা শুনে আবার ওর বাবা বলবে, বেটা তু পাঞ্জাবী বোল। আমার বাড়িতে দুই ধরনের খাবার হয়- বাঙ্গালি ও পাঞ্জাবী। আমার ছেলে দুটোই পছন্দ করে।  মিতালী মুখার্জীর শিক্ষাজীবনের শুরু ময়মনসিংহের বিদ্যাময়ী বালিকা বিদ্যালয়ে। ময়মনসিংহের মুমিনুন্নিসা মহাবিদ্যালয় থেকে এইচএসসি পাস করার পর তিনি ভারত সরকারের বৃত্তি নিয়ে ভারতের গুজরাটের মহারাজা সায়াজী বিশ্ববিদ্যালয়ে সংগীত বিষয়ে অধ্যয়ন করতে যান এবং সেখান থেকে স্নাতক স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। কৃতিত্বের সাথে উত্তীর্ণের সাথে সাথে গোল্ড মেডেলও লাভ করেন। তিনি বারোদা এবং আহমেদাবাদ এর রেডিও এবং টেলিভিশনে নিয়মিত শিল্পী হিসেবে সঙ্গীত পরিবেশনা করতেন এবং গুজরাটের বিভিন্ন শহরে কনসার্টে অংশগ্রহণ করতেন। এরপর তিনি এমফিল করতে চলে যান মুম্বাই। সেখানে মুম্বাই দূরদর্শন এবং মুম্বাই রেডিওতে নিয়মিত সংগীত পরিবেশন করতেন। সেখানে তিনি নিয়মিত কনসার্টে অংশ নিয়েছেন। পাশাপাশি তিনি বাংলাদেশের চলচিত্রের জন্যও প্রচুর গান করেছেন। তার গাওয়া “এই দুনিয়া এখনতো আর সেই দুনিয়া নাই” “দুই পয়সার আলতা” ছবির এই গানটি ১৯৮২ সালে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার লাভ করে।  বাংলা ও হিন্দি ভাষায় অসংখ্য অ্যালবাম প্রকাশিত হয়েছে তার। তার প্রথম গজল অ্যালবাম “সাহিল” গোল্ডেন ডিস্ক হিসেবে খ্যাত। আরজ কিয়া হ্যায়, তওবা তওবা, আপকে নাম, শাম জালায়ে রাখনা, এক হাসিন শাম, মোহাব্বাত, নাশেমন, গুলমোহর ইত্যাদি তার অ্যতলবামগুলির অন্যতম । তিনি বর্তমানে তামিল ভাষার চলচ্চিত্রের জন্য নিয়মিত গান করেন। তার গাওয়া দলপতি গানটি ট্রিপল পাটিনাম অ্যাওয়ার্ড অর্জন করে। ভারতে পড়ালেখা করাকালীন ঘনিষ্ঠতা গড়ে ওঠে খ্যাতিমান গজলশিল্পী ভুপিন্দর সিংয়ের সঙ্গে। ১৯৮৩ সালে বিয়ে করেন তারা। এরপর ভারতেই স্থায়ী হন। ২০০৪ সাল থেকে সিটি ব্যাংক এনএ ‘গানে গানে গুণীজন সংবর্ধনা’ দিয়ে আসছে। তারই ধারাবাহিকতায় সঙ্গীত জগতে অসামান্য অবদান রাখার জন্য মিতালী মুখার্জি এবার এই সম্মাননা পেলেন। এর আগে এই পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন নিলুফার ইয়াসমীন, ফরিদা পারভীন, ফিরোজা বেগম, সনজীদা খাতুন, সোহরাব হোসেন, ফেরদৌসী রহমান, সাবিনা ইয়াসমীন, রেজওয়ানা চৌধুরী বন্যা, সুবীর নন্দী, শাহনাজ রহমতল্লাহ এবং সৈয়দ আব্দুল হাদী।