অব দ্য রেকর্ড

অব দ্য রেকর্ড

3266
SHARE
Shakib-Khan

নায়কের মৃত্যু মেনে নেয়া যায় না!
অলীক পরিচালিত আরো ভালোবাসবো তোমায় মুক্তি পেয়েছে ১৪ আগষ্ট। ছবিটি প্রথম দুই দিন ভালো রিসিপশন পায়। যে সব হলে ছবিটি মুক্তি পেয়েছে সেখানে হাউজফুল বোর্ডও ঝুলেছে। তৃতীয় দিন থেকে এ ছবির দর্শক কমতে থাকে অর্থাৎ সেলও কমে যায়। মোটকথা আরো ভালোবাসবো তোমায় আশানুরুপ ব্যবসা করতে ব্যর্থ হয়। চলচ্চিত্র ব্যবসায় একটি বিষয় খুবই তাৎপর্যপূর্ণ তাহলো দর্শক যখন একটি ছবি ভালো লাগা নিয়ে একাধিকবার দেখে তখন সেই ছবি হয় সুপারহিট। কিন্তু প্রথম  দু’দিন দশর্করা ছবিটি দেখার পর আর হল মুখি হয়নি। ব্যবসা না করাব কারণ হিসেবে জানাগেছে ছবির শেষ দৃশ্যে নায়ক শাকিব ও নায়িকা পরীমনিকে মেরে ফেলা হয়। আসলে দর্শকরা তাদের প্রিয় তারকাকে কখনো পর্দায় মৃত দেখতে চায় না। এই মনসতাত্বিক বিষয়টি আমাদের চলচ্চিত্রে মিথ-এর মতো প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।  দশর্কদের এমন জোরালো বক্তব্যের সঙ্গে একমত প্রকাশ করেছেন ছবির নায়ক শাকিব খান। তিনি বলেছেন ছবিতে নায়কের মৃত্যু কোনো ভাবেই দর্শকরা মেনে নেয়নি। বরাবরই ছবিতে প্রিয় নায়ক নায়িকার মৃত্যুতে দর্শক আহত হয়। তিনি ছবির পরিচালক ও প্রযোজকের বিরুদ্ধে অভিযোগ করে বলেছেন, ছবিতে নায়ক নায়িকার মৃত্যু ঘটিয়ে তারা ছবির ব্যবসাকে মৃত্যুর মুখে ফেলে দিয়েছেন।

এ কেমন মিথ্যাচার!
Nusrat-Fariaনুসরাত ফারিয়া অভিনীত জাজ মাল্টি মিডিয়ার এই ছবির নাম আশিকি। ভারত বাংলাদেশ যৌথ প্রযোজনার এ ছবিতে ফারিয়ার বিপরীতে অভিনয় করছেন কলকাতার নায়ক অঙ্কুশ।  সম্প্রতি আশিকির একটি গান প্রকাশ পেয়েছে ইউটিউবে। ধ্র“পদী নৃত্যের এ গানটিতে পারফর্ম করেছেন ফারিয়া ও অঙ্কুশ। গানটি প্রকাশ পাওয়ার কয়েকদিনের মধ্যে অর্থাৎ এক সপ্তাহের মধ্যে ইউটিউবে প্রায় পঞ্চাশ হাজার দর্শক দেখেছে। কিন্তু ফারিয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেছেন গানটি চার দিনের মধ্যে চার লাখ দর্শক দেখেছে। এই খবর বাংলাদেশের প্রিন্টিং ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় ব্যাপক প্রচার পায়। কিন্তু এর সত্যতা যাচাইয়ের জন্য ইউটিউবে ১০ দিন পর চেক করে দেখা যায় গানটি দেখেছে মাত্র ১ লাখের কিছু বেশি দর্শক। ফারিয়ার এমন মিথ্যাচারে খুশি হয়েছে প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান জাজ মাল্টি মিডিয়া। তবে তার ভক্ত দর্শকরা ইউটিউবের এই গানটি দেখে ফেসবুকে ফারিয়ার ফ্যান পেজে অনেক নেতিবাচক মন্তব্য করেছেন। সেখানে তারা লিখেছেন গানটি ছবির নায়ক অঙ্কুশের লিপসে স্যুট করা হয়েছে এবং এখানে ফারিয়াকে গৌন ভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে। তাছাড়া গানে ফারিয়ার মাত্র কযেকটি ক্লোজ শট নেয়া হয়েছে। না হলে বোঝা মুশকিল ছিল এই নায়িকা ফারিয়া।  খবর আরো আছে, ফারিয়া এমন এক সময় জাজ মাল্টিমিডিয়ার ছবির নায়িকা হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেন যখন নায়িকা মাহিয়া মাহি এই প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে গিয়েছিলেন নানান কারনে। গত রোজার ঈদে মাহি অভিনীত অগ্নি টু সুপারহিট ব্যবসা করার পর জাজ-এর ঘরে আবার আগের মতো নিজের হট সিটে বসেছেন মাহি। বলাই বাহুল্য এক বনে যেমন দুই রাজা থাকে না তেমনি দুই রানীও থাকার কথা নয়। তাই যে কোনো সময় ফারিয়া জাজ থেকে ছিটকে পড়তে পারেন।

পরোপকারী জায়েদ
Jayed-Khan-(4)নায়ক জায়েদ খান চলচ্চিত্রে অভিনয় করছেন প্রায় এক দশক ধরে। ছবিতে তৃতীয় থেকে প্রথম সারির নায়ক হওয়ার তকমা আছে তার গায়ে। কিন্তু কেন জানি জায়েদ নিজেকে মেলে ধরতে পারছেন না। প্রতিনিয়ত তিনি নিজেকে ভাঙ্গার চেষ্টা করছেন কিছুতেই কিছু হচ্ছে না। বেশির ভাগ নির্মাতা মনে করেন জায়েদ অভিনয় ভালো করেন আচার ব্যবহারও চমৎকার তবে সমস্যা অন্য জায়গায়। এক কথায় জায়েদ খান ম্যানলী নন। কিন্তু নায়কদের স্মার্ট ও পৌরষদীপ্ত হতে হয়। কিন্তু জায়েদের মধ্যে সেটা নেই।  জায়েদের এই আচরন নিমার্তাদের পছন্দ না হলে কী হবে নায়িকারা তাকে খুব কাছের মানুষ বলে মনে করেন।। শাবনূর পপি, পরীমনি থেকে শুরু করে অনেক নায়িকার প্রিয় ও আস্থা ভাজন নায়ক জায়েদ খান। বরাবরই তিনি কোনো সামাজিক অনুষ্ঠান বা চলচ্চিত্রের পাটির্তে নায়িকাদের সঙ্গে উপস্থিত হচ্ছেন ফুলের তোড়া হাতে। ফুলের তোড়া নায়িকাদের হয়ে কিনে আনার দায়িত্বও হাসি মুখে নেন তিনি। শুধু তাই নয় গভীর রাতে নায়িকাদের বাড়ি পৌঁছে দেওয়ার  ব্যাপারে তাকে বলতে হয়না। তার এই ব্যবহারে মুগ্ধ অনেক তারকা নায়িকা। তারা খুব ভালো করেই জানেন জায়দ খান আর যাই হোক তাদের জন্য কোনো ভাবেই ঝুকি পূর্ণ নন তা যত রাতই হোক বা যত একাকী তারা থাকুন না কেন।

নায়িকা অতীত এবং বর্তমান!
Porimoniবর্তমান সময়ের সবচেয়ে আলোচিত নায়িকা পরীমনি। গত এক মাসের ব্যবধানে তার ২টি ছবি মুক্তি পেয়েছে। মুক্তিপ্রাপ্ত ছবির ব্যবসা যাই হোক পরীমনি কিন্তু আলোচনার কেন্দ্র বিন্দুতে। বিশেষ করে পর্দার বাইরে শূটিং স্পটে তার সঙ্গে যারা কাজ করেন তাদের কাছে।  পরীমনির চলচ্চিত্রে অভিনয়ের দুই বছর পার হয়েছে। এই সময়ে প্রায় একডজন ছবিতে চুক্তি বদ্ধ হয়েছেন। যে গুলোর কাজ করতে গিয়ে গত দেড় বছরে তার ব্যবহার নিয়ে কেউ কোনো কথা বলেনি। বরাবরই তিনি সবার সঙ্গে ভালো ব্যবহার করেনছেন। সিনিয়রদের দেখলে যেমন সম্মান করতেন জুনিয়রদের দেখলে হাসি মুখে কথা বলতেন। গত ৭/৮ মাস ধরে যেন পরীমনি অন্য মানুষ হয়ে গেছেন। সব সময় খিটখিটে মেজাজ করেন। এক কথা দুইবার জিজ্ঞেস করলেই উত্তেজিত হয়ে যান। এখন সিনিয়রদের দেখলে সম্মান দেখাননা জুনিয়রদের সঙ্গে কথাই বলেন না। ছবির সেটে আসার পর তার দাপটে কাঁপতে থাকে প্রোডাকশন বয়রা। চা বা কফি চাওয়া মাত্র হাতের কাছে না পেলে অশ্রাব্য গালা গাল দেন। কখনো কখনো মা মাসি তুলে গাল দিতে ভুলেন না পরী। এখন অনেক প্রোডাকশন বয় পরীমনি থাকলে কাজ করতে চায় না। নায়িকা বলে তার কথায় প্রতিবাদ ও করতে পারে না কোনো বয় বেয়ারা।  হঠাৎ করে পরীমনির এই পরিবর্তন কেন এর কারন খুঁজছেন অনেকেই। কেউ কেউ বলছেন মা বাবা হারা এই নায়িকা খুবই আবেগ প্রবন এবং অল্পতে রেগে যান। তাছাড়া কোনো কারনে মানসিক চাপে হয়তো এরকম ব্যবহার করছেন। তবে মানসিক চাপ হোক আর অসুস্থই হোক, পরীমনির বোঝা উচিৎ তিনি এই মুহ‚র্তে চলচ্চিত্রের সবচেয়ে আলোচিত নায়িকা। আগামী দিনে নাম্বার ওয়ান নায়িকা হওয়ার পথে তিনিই সবার চেয়ে এগিয়ে। তাই শুটিং ক্রু বা বয়দের সঙ্গে এধরনের আচরন কোনো ভাবেই কাম্য নয়।

শাবনূরের মশকরা
Cinema_11_8-1শাবনূর কোরবানীর ঈদের আগেই অস্ট্রেলিয়া চলে যাবেন এটা ফাইনাল। কবে ফিরে আসবেন সেটা তিনি নিজেও বলতে পারছেন না। হাতে যে হাফডান ছবি রয়েছে সেগুলোর ভবিষৎ অনিশ্চিত। শাবনূর বলেছেন দেশে গত আট মাসে বিভিন্ন অনুষ্ঠানে খেয়ে খেয়ে মোটা হওয়ার কারনে নির্মিতব্য ছবি গুলোর কাজ শেষ করতে পারলাম না এবং নতুন ছবিও হাতে নিতে পারলাম না। দেশে যতদিন থাকব ততদিন খেয়ে খেয়ে শুধু মোটা হয়ে যাবো। তাই ওজন কমিয়ে আগের মতো হতে অস্ট্রেলিয়া যাচ্ছি। শাবনূরের এ ধরনের বক্তব্যের প্রেক্ষিতে প্রযোজক পরিচালকরা অত্যন্ত আহত হয়েছেন এবং ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেছেন শাবনূর একসময় আমাদের চলচ্চিত্রের সবচেয়ে ব্যবসা সফল ছবির নায়িকা ছিলেন। তিনি একজন কমিটেউ আটিষ্ট, তিনি এভাবে অবিবেচকের মতো কথা বলতে পারেন না। একজন সচেতন অভিনেত্রী হয়ে কী ভাবে বলেন খেয়ে খেয়ে মোট হচ্ছি তাই ি ম হতে অস্ট্রেলিয়া যাচ্ছি। তিনি কী আমাদের চলচ্চিত্রের সঙ্গে মশকরা করছেন। যে চলচ্চিত্র ইন্ডাস্ট্রি তাকে জশ খ্যাতি, অর্থবিত্ত দিয়ে খ্যাতিমান করেছে সেই জগতের প্রতি কী তার বিন্দুমাত্র দায়বদ্ধতা নেই। এই ক্ষোভের কথা শোনার পর শাবনূর কোনো প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেননি।  শাবনূরের সর্বশেষ সংবাদ কেন তিনি অস্ট্রেলিয়ায় যাচ্ছেন তড়ি ঘড়ি করে। শাবনূর অস্ট্রেলিয়া থেকে ছেলে আইজানকে নিয়ে বাংলাদেশে এসেছেন প্রায় আট মাস হলো। এই দীর্ঘ সময়ে তার স্বামী অনীককে একবারও দেখা যায়নি শাবনূরের পাশে। এমন কী ছেলে আইজানকেও দেখতে অসেনি অনীক। জানা গেছে স্বামীর সঙ্গে শাবনূরের দাম্পত কলহ চলছে। যে কোনো মুহ‚র্তে তাদের বিচ্ছেদ হতে পারে।